Select Menu
  • Home
  • Blog Design
  • Widgets
    • HTML Editor
    • HTML Parser
    • Counter Tool
    • Css Minifier
    • Live Viewer
    • Color Code
  • SEO
  • Online Earning
  • Technology
  • About Us
  • Contact Us
  • Download
  • About Us
  • Contact Us
  • Privacy
  • Sitemap
  • Download
Shahoreyar Mostofa
  • Home
  • Blog Design
  • Widgets
  • SEO
  • Android
    • Adroid Tips
    • Android Apps
    • Android News
  • Earning
  • Error404
ইসলাম শিক্ষা
Showing posts with label ইসলাম শিক্ষা. Show all posts
Showing posts with label ইসলাম শিক্ষা. Show all posts

Thursday, 26 November 2015

Unknown

পবিত্র জুম’আর দিনের বিস্তারিত ফজীলত এবং নির্দেশনা

  Unknown      Thursday, 26 November 2015     অন্যন্য , ইসলাম শিক্ষা      No comments   






●●আল্লাহ্ তা’আলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন, “মুমিনগণ,জুমআর দিনে যখন নামাযের আযান দেয়া হয়,তখন তোমরা আল্লাহর ইবাদতের জন্য দ্রুত যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ কর।এটা তোমাদের জন্যে উত্তম যদি তোমরা বুঝ।”-[আল কুরআন;সূরা আল জুমুআহ;০৯]
●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,
“মুমিনের জন্য জুম’আর দিন হল সাপ্তাহিক ঈদের দিন।”-[ইবনে মাজাহ;১০৯৮]
●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
“মহান আল্লাহ পাকের কাছে জুম’আর দিনটি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনের মত শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনটি আল্লাহর কাছে অতি মর্যাদা সম্পন্ন।”-[ইবনে মাজাহ;১০৮৪]
●●“জুম’আর দিনটি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনের চেয়েও শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনটি আল্লাহর কাছে অতি মর্যাদা সম্পন্ন।”-[মুসনাদে আহমদ-৩/৪৩০;ইবনে মাজাহ-১০৮৪]
●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
“হে মুসলমানগণ, জুম‘আর দিনকে আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদের জন্য (সাপ্তাহিক) ঈদের দিন হিসাবে নির্ধারণ করেছেন (جَعَلَهُ اللهُ عِيْدًا)। তোমরা এদিন মিসওয়াক কর, গোসল কর ও সুগন্ধি লাগাও।”-[মুওয়াত্তা, ইবনু মাজাহ, মিশকাত; হাদিস নং-১৩৯৮, ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, ‘পরিচ্ছন্নতাঅর্জন ও সকাল সকাল মসজিদে গমন’ অনুচ্ছেদ-৪৪]
●●উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত: এক ইয়াহুদি তাঁকে বলল ,’হে আমিরুল মু’মিনীন ! আপনাদের কিতাবে একটি আয়াত আছে, যা আপনারা পাঠ করে থাকেন, তা যদি আমাদের ইয়াহুদি জাতির উপর অবতীর্ণ হতো, তবে অবশ্যই আমরা সেই দিনকে ঈদ হিসাবে পালন করতাম’, তিনি বললেন, ‘কোন আয়াত’? সে বলল,“আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম।” – [ সূরা মায়েদা; ৩ ]; উমার (রাঃ) বললেন, “এটি যে দিনে এবং যে স্থানে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর অবতীর্ণ হয়েছিল তা আমরা জানি; তিনি সেদিন আরাফায় দাঁড়িয়েছিলেন আর সেটা ছিল জুমুআ’র দিন।”-[সহীহ বুখারী;হাদিস নং – ৪৩, ৪৪০৭, ৪৬০৬, ৭২৬৮; সহীহ মুসলিম ৪৩/১ ,হাদিস নং – ৩০১৭]
●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
সূর্য উদিত হয় এরুপ দিনগুলোর মধ্যে জুম’আর দিনটিই হল সর্বোত্তম।
(১)এই দিনেই আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল – [ আবু দাউদ – ১০৪৬ ],
(২)এই দিনে তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছিল এবং
(৩)এই দিনেই তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল – [মুসলিম;জুম’আর নামাজ পর্ব ],
(৪)এই দিনে তাঁকে দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছিল,
(৫)এই দিনেই তাঁর তওবা কবুল করা হয়েছিল এবং
(৬)এই দিনেই তাঁর রূহ কবজ করা হয়েছিল – [ আবু দাউদ – ১০৪৬ ],
(৭)এই দিনেই শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে – [ আবু দাউদ – ১০৪৭ ],
(৮)এই দিনেই কিয়ামত হবে – [ আবু দাউদ – ১০৪৬ ],
(৯)এই দিনেই সকলেই বেহুঁশ হয়ে যাবে – [ আবু দাউদ – ১০৪৭ ],
(১০)নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতাগন,আকাশ,পৃথিবী,বাতাস,পর্বত ও সমুদ্র সবই জুম’আর দিনে শংকিত হয়। – [ ইবনে মাজাহ – ১০৮৪; মুয়াত্তা ইমাম মালেক ]।

●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
“এইদিন (জুম’আর দিন) নিকটবর্তী ফেরেশতাগণ, আকাশ, পৃথিবী, বায়ু, পাহাড়, সমুদ্র সবই ক্বিয়ামত হবার ভয়ে ভীত থাকে।”-[ইবনু মাজাহ,মিশকাত;১৩৬৩ ‘জুম‘আ’ অনুচ্ছেদ-৪২]
●●“উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য এটি একটি মহান দিন। এ জুম’আর দিনটিকে সম্মান করার জন্য ইহুদী-নাসারাদের উপর ফরজ করা হয়েছিল; কিন্তু তারা মতবিরোধ করে এই দিনটিকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। অতঃপর ইহুদীরা শনিবারকে আর খ্রিষ্টানরা রবিবারকে তাদের ইবাদতের দিন বানিয়েছিল। অবশেষে আল্লাহ তায়ালা এ উম্মতের জন্য শুক্রবারকে মহান দিবস ও ফযীলতের দিন হিসেবে দান করেছেন। আর উম্মতে মুহাম্মদী তা গ্রহন করে নিল।”-[বুখারী – ৮৭৬, ইফা – ৮৩২, মুসলিম – ৮৫৫]
●●“জান্নাতে প্রতি জুম’আর দিনে জান্নাতীদের হাট বসবে। জান্নাতী লোকেরা সেখানে প্রতি সপ্তাহে একত্রিত হবেন। তখন সেখানে এমন মনমুগ্ধকর হাওয়া বইবে, যে হাওয়ায় জান্নাতীদের সৌন্দর্য অনেক গুণে বেড়ে যাবে এবং তাদের স্ত্রীরা তা দেখে অভিভূত হবে। অনুরূপ সৌন্দর্য বৃদ্ধি স্ত্রীদের বেলায়ও হবে।”-[মুসলিম;২৮৩৩, ৭১/৭৫৩]
●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
“জুম’আর রাতে বা দিনে যে ব্যক্তি ঈমান নিয়ে মারা যায়; আল্লাহ তায়ালা তাকে কবরের আজাব থেকে মুক্তি দিবেন।”-[তিরমিযী;১০৭৮]
●●“যে ব্যক্তি জুম’আর দিনে সুরা কাহফের প্রথম ১০ আয়াত পড়বে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপত্তা লাভ করবে।”-[মুসলিম]
●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ
“যে ব্যক্তি জুম’আর দিনে সূরা আল-কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য মহান আল্লাহ্ দুই জুম’আর মাঝে নূর আলোকিত করবেন।”-[ইমাম নাসাঈ ও বায়হাকী হাদিসটি বর্ণনা করেন ।]
●●আমিরুল মুমিমীন ওমর (রা) এর ছেলে বিশিষ্ট সাহাবা আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা) থেকে বর্নিত যে, তিনি নবী করীম (সল্লাল্লাহু আলাইহি আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন, “যে ব্যক্তি জুমু’আর নামাজে উপস্থিত হবে সে যেন গোসল করে নেয়।”-[সুনানে তিরমিযী-৪৯২]
●●“জুম’আর দিন গোসল করা। যাদের উপর জুম’আ ফরজ তাদের জন্য এ দিনে গোসল করাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওয়াজিব করেছেন।”-[বুখারী-৮৭৭]
●●আবূহুরায়রা আব্দুর রহ্মান ইবন সখর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণনা করেছেনঃ “জুমু’আর দিন উমর বিন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু লোকদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিচ্ছিলেন আর তখন উসমান ইবন আফফান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু মসজিদে প্রবেশ করলেন। উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তখন তাঁকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “কেন কিছু লোকেরা আযান হয়ে যাওয়ার পরে মসজিদে আসে?” উসমান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তখন বললেন, “আমীর আল-মু’মিনীন! আমি আজ়ান শোনামাত্র উজ়ু করে (মসজিদে) এসেছি।” উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বললেন, “শুধু উজ়ু? তুমি কি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শোননি ‘তোমাদের কেউ যখন জুমু’আর জন্য আসে সে যেন গোসল করে আসে’?” – [হাদীসটি ইমাম বুখারী ও মুসলিম উভয়েই সংকলন করেছেন। এখানে উদ্ধৃত করা হয়েছে ইমাম আল-মুনযিরীর “মুখতাসার সহীহ মুসলিম” নামক সংকলনের ইংরেজী ভার্সন থেকে। হাদীস নং;৪০৪]
●●আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্নিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
“জুমু’আর দিনে গোসল করলে চুলের গোড়ায় জমে থাকা পাপও দূর হয়ে যায়।”-[তিরবানী, মাজমাউজ জাওয়ায়েদ]
●●জুম’আর দিনেঃ “মসজিদে যাওয়ার আগে কাঁচা পেয়াজ, রসুন না খাওয়া (ধুমপান না করা)।”-[বুখারী;৮৫৩]
●●জুম’আর দিনেঃ “মিস্ওয়াক করা।”-[বুখারী;৮৮৭,ইফা;৮৪৩,ইবনে মাজাহ;১০৯৮]
●●জুম’আর দিনেঃ “গায়ে তেল ব্যবহার করা।”-[বুখারী;৮৮৩]
●●জুম’আর দিনেঃ “জুম’আর সালাতের জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা।”-[বুখারী;৮৮০]
●●আল্লাহ্ তা’আলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন,
“হে বনী-আদম! তোমরা প্রত্যেক নামাযের সময় সাজসজ্জা পরিধান করে নাও,”-[আল কুরআনঃ সূরা আল আ’রাফ;আয়াত নং-৩১]
●●জুম’আর দিনেঃ “উত্তম পোশাক পরিধান করে জুম’আ আদায় করা।”-[বুখারী, মুসলিম, আহমাদ, ইবনে মাজাহ; ১০৯৭]
●●জুম’আর দিনেঃ “মুসুল্লীদের ফাঁক করে মসজিদে সামনের দিকে এগিয়ে না যাওয়া।”-[বুখারী;৯১০,৮৮৩]
●●জুম’আর দিনেঃ “কাউকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে বসার চেষ্টা না করা।”-[বুখারী;৯১১,মুসলিম;২১৭৭,২১৭৮]
●●হযরত ইয়াযীদ ইবনে আবি মারয়াম(র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একদিন পায়ে হেঁটে জুম’আর জন্য যাচ্ছিলাম। এমন সময় আমার সাথে আবায়া ইবনে রিফায়া (র) এর সাথে সাক্ষাৎ হয়। তিনি বললেন, সুসংবাদ গ্রহণ কর! তোমার এই পদচারণা আল্লাহর পথেই। আমি আবু আবস (রা) কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তির পদদ্বয় আল্লাহর পথে ধূলিময় হলো, তার পদদ্বয় জাহান্নামের জন্য হারাম করা হলো।”-[জামে তিরমিযি,হাদিস নং-১৬৩৮, সহীহ বুখারী, হাদিস নং-৯০৭]
●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
“যে ব্যাক্তি জুমু’আর দিন ভাল মত গোসল করে প্রথম দিকে মসজিদে হাজির হয়,সে যেন একটি উট কুরবানী করল,দ্বিতীয় সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে প্রবেশ করে সে যেন একটি গরু কুরবানী করল,তৃতীয় সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে প্রবেশ করল সে যেন একটি ছাগল কুরবানী করল। অতঃপর চতুর্থ সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে গেল সে যেন একটি মুরগী কুরবানী করল।আর পঞ্চম
সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে প্রবেশ করল সে যেন একটি ডিম কুরবানী করল।অতঃপর ইমাম যখন
বেরিয়ে এসে মিম্বরে বসে গেলেন খুৎবার জন্য,তখন ফেরেশতারা লেখা বন্ধ করে খুৎবা শুনতে বসে যায়।”-[বুখারী;৮৮১]
●●আবু হুরায়রা (রঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “জুমু’আর দিন মসজিদের দরজায় ফেরেশ্তাগন অবস্থান করেন এবং ক্রমানুসারে আগে আগমনকারীদের নাম লিখতে থাকেন। যে সবার আগে আসে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে একটি মোটাতাজা উট কুরবানী করে। তারপর যে আসে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে একটি গাভী কুরবানী করে। তারপর আগমনকারী ব্যক্তি মুরগী দানকারীর ন্যায়। এরপর আগমনকারী ব্যক্তি একটি ডিম দানকারীর ন্যায়। তারপর ইমাম যখন বের হন (খুতবার জন্য) ফেরেশ্তাগন তাঁদের দফতর বন্ধ করে দেন এবং মনোযোগ সহকারে খুতবা শোন্তে থাকেন।”-[বুখারী;২য় খন্ড,৮৮২]
●●জুম’আর দিনেঃ “খুৎবা চলাকালীন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলে তখনও দু’রাকা’আত ‘তাহিয়্যাতুল মাসজিদ’ সালাত আদায় করা ছাড়া না বসা।”-[বুখারী;৯৩০]
●●জুম’আর দিনেঃ “খুৎবার সময় খতীবের কোন কথার মার্জিত ভাবে সাড়া দেওয়া বা তার প্রশ্নের জবাব দানে শরীক হওয়া জায়েজ।”-[বুখারী;১০২৯]
●●হযরত আবু হুরাইরা (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন ,
“যে ব্যক্তি গোসল করে জুমু’আর উদ্দেশ্যে আসে এবং যে পরিমাণ নফল নামায পড়ার তাওফীক হয় তা পড়ে, এরপর ইমামের খুতবা শেষ হওয়া পর্যন্ত চুপ থাকে এবং ইমামের সঙ্গে নামায আদায় করে, আল্লাহ তা’আলা তার দশ দিনের (সগীরা) গুনাহ মাফ করে দেন।”-[সহীহ মুসলিম;১/২৮৩]
●●আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি উত্তমরূপে উযু করার পর জুমু’আর নামাযে এলো, নীরবে মনযোগ সহকারে খুত্বা (আলোচনা) শুনলো, তার পরবর্তী জুমুআ পর্যন্ত এবং আরো অতিরিক্ত তিন দিনের গুনাহ্ মাফ করে দেয়া হয়। আর যে ব্যক্তি (অহেতুক) একটি কঙ্কর(পাথর) স্পর্শ করলো সে অনর্থক কাজ করলো।”-[মুসলিম;৩য় খন্ড – ১৮৬৫]
●●হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্নিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “ইমামের খুত্বা দেয়ার সময় যদি তুমি কাউকে চুপ থাকতেও বল তবে তুমি বেহুদা কাজ করলে।”-[বুখারী; ২য় খন্ড – ৮৮৭, মুসলিম, নাসাঈ, আবু দাউদ; ২য় খন্ড – ১১১২]
●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
“জুম’আর সালাতে তিন ধরনের লোক হাজির হয়।
(ক) এক ধরনের লোক আছে যারা আল্লাহর মসজিদে প্রবেশের পর তামাশা করে, তারা বিনিময়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে তামাশা ছাড়া কিছুই পাবে না।
(খ) দ্বিতীয় আরেক ধরনের লোক আছে যারা জুম’আয় হাজির হয় সেখানে কিছু দু’আ মুনাজাত করে, ফলে আল্লাহ যাকে চান তাকে কিছু দেন আর যাকে ইচ্ছা দেন না।
(গ) তৃতীয় প্রকার লোক হল যারা জুম’আয় হাজির হয়, চুপচাপ থাকে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কারও ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে আগায় না, কাউকে কষ্ট দেয় না, তাদের দুই জুম’আর মধ্যবর্তী ৭ দিন সহ আরও তিনদিন যোগ করে মোট দশ দিনের গুনাহ আল্লাহ তায়ালা মাফ করে দেন।” – [আবু দাউদ]
●●“যে ব্যক্তি ভালভাবে ওযূ করে জুম’আর নামাজে এসে চুপ থেকে মনোযোগ সহকারে খুতবা শ্রবণ করে নামাজ আদায় করে,আল্লাহ তাআলা দুই জুম’আর মধ্যবর্তি সময় ও অতিরিক্ত আরো তিন দিনের ছোট পাপ সমূহ ক্ষমা করে দেবেন।”-[মুসলিম]
●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
“যে ব্যক্তি জুমার দিনে গোসল করে রওনা হয় এবং ইমামের অতি নিকটে বসে চুপচাপ খুতবা শোনে,সে প্রতি পদক্ষেপে এক বছর রোযা রাখার এবং এক বছর রাতে কিয়াম করার নেকী পায়। আর এটা আল্লাহর জন্য বড় সহজ ব্যাপার।”-[আহমদ;নাসায়ী;তিরিমিযি (সহিহ)]
●●“কোন ব্যক্তি জুম‘আর দিন গোসল করল, ওযূ করে মসজিদে গেল এবং খুৎবা শুনল। তার প্রতি কদমে এক বছরের নফল ছালাত ও ছিয়ামের সমান নেকী হয়।”-[আবুদাঊদ;৩৭৩,মিশকাত;১৩৮৮]
●●“খুৎবার সময় ইমামের কাছাকাছি বসা। কোনো ব্যাক্তি যদি জান্নাতে প্রবেশের উপযুক্ত হয়, কিন্তু, ইচ্ছা করে জুমুয়ার নামাজে ইমাম থেকে দূরে বসে, তবে সে বিলম্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”-[আবু দাউদ-১১০৮]
●●জুম’আর দিনেঃ “জুম’আর ফরজ নামাজ আদায়ের পর মসজিদে ৪ রাকা’আত সুন্নাত সালাত আদায় করা।”-[বুখারী;১৮২,মুসলিম;৮৮১,আবু দাউদ;১১৩০]
●●জুম’আর দিনেঃ “যেখানে জুম’আর ফরজ আদায় করেছে, উত্তম হল ঐ একই স্থানে সুন্নাত না পড়া। অথবা কোন কথা না বলে এখান থেকে গিয়ে পরবর্তী সুন্নাত সালাত আদায় করা।”-[মুসলিম;৭১০,বুখারী;৮৪৮]
●●আবু হুরায়রা রাযি. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার জুমার দিনের কথা আলোচনা করে বলেন , “এদিনে এমন একটি মূহূর্ত আছে যখন নামাজী বান্দা আল্লাহর কাছে কোনো কিছু চায় আল্লাহ তাকে তা দেন।”-[বুখারী ও মুসলিম]
●●আবূ হুরায়রা (রা) হতে বর্ণীত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদা জুমু’আর দিন সম্বন্ধে আলোচনা করতে গিয়ে বললেন, “ওতে এমন একটি মুহূর্ত আছে, যে কোন মুসলিম যদি ঐ মুহূর্তে দাঁড়িয়ে নামায পড়া অবস্থায় আল্লাহ্র কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তাহলে আল্লাহ্ তাকে তা দান করে থাকেন। এ কথা বলে তিনি স্বীয় হাত দ্বারা ইঙ্গিত করলেন, সে মুহূর্তটি খুবুই সংক্ষিপ্ত।”-[বুখারী-৯৩৫,৫২৯৫,৬৪০০; মুসলিম-৮৫২; তিরমিজী-৪৯১; নাসায়ী-১৪৩০,১৪৩২; আবূ দাউদ-১০৪]
●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
“জুম’আর দিনে এমন একটি সময় আছে,যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায়,তা-ই তাকে দেওয়া হয়।আর এ সময়টি হল জুম’আর দিন আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত,একটি সময়।”-[বুখারী;৯৩৫]
●●“জুমার দিনে বারোটি প্রহর তথা সময় রয়েছে। এ সময়ে কোনো মুসলমান আল্লাহর কাছে কোনো কিছু চাইলে আল্লাহ তাকে তা দেন। তোমরা জুমার দিনের শেষ প্রহর তথা আছরের শেষ সময়ে এ প্রহরটিকে অনুসন্ধান করো।”-[আবূ দাউদ]
●●আল্লাহ্ তা’আলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন,
“এবং যখন আমার বান্দাগণ আমার সম্মন্ধে তোমাকে জিজ্ঞাসা করে,তখন তাদেরকে বলে দাওঃ আমি অবশ্যই তাদের সন্নিকটবর্তী,কোন আহ্বানকারী যখনই আমাকে আহ্বান করে তখনই আমি তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে থাকি,সুতরাং তারাও যেন আমার ডাকে সাড়া দেয় এবং আমাকে বিশ্বাস করে,তাহলেই তারা সঠিক পথে চলতে পারবে।”-[সূরা আল-বাক্বারা; আয়াত-১৮৬ এর বাংলা অনুবাদ]
●●জুম’আর দিনেঃ “এ দিন বেশী বেশী দোয়া করা।”-[বুখারী;৯৩৫]
●●“জুমুআ’র দিনে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর প্রতি বেশী বেশী দরূদ পাঠ করার জন্য আমাদের সকলকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।”-[নাসাঈ;১৩৭৭]
●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
“যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে আল্লাহ্ তা’আলা তার উপর দশবার রহমত নাযিল করবেন, তার দশটি গুনাহ্ মিটিয়ে দেয়া হবে এবং তার দশটি মর্যাদা উন্নীত করা হবে।”-[নাসাঈ;১৩০০]
●●রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে এই দরূদ পড়তে শিখিয়েছেন,
“আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ কামা সাল্লাইতা আলা ইব্রাহিমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহিমা, ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ কামা বারাকতা আলা ইব্রাহিমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহিমা, ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ।”-[বুখারী,মুসলিম]
(সমাজে প্রচলিত দরূদে তাজ, হাজারি, লাখী, এজাতীয় সকল মানব রচিত দরূদ থেকে মুক্ত থাকার চেষ্টা করি ।)
●●আল্লাহ্ তা’আলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন,
“জুমুআর নামায সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও রিজিক খুঁজতে থাক এবং আল্লাহকে বেশী বেশী স্মরণ কর,যাতে তোমরা সফলকাম হও।”-[আল কুরআনঃ সূরা আল জুমুআহ-১০]
●●আবূ হুরাইরা ও আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত,তাঁরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে তাঁর কাঠের মিম্বরের উপর দাঁড়ানো অবস্থায় এ কথা বলতে শুনেছেন যে, “লোকেরা যেন জুমুআহ ত্যাগ করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকে;নচেৎ আল্লাহ্ অবশ্যই তাদের অন্তরে মোহর লাগিয়ে দেবেন,তারপর তারা অবশ্যই উদাসীনদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়বে।”-[মুসলিম; ৮৬৫, নাসায়ী; ১৩৭০, ইবনু মাজাহ; ৭৯৪,১১২৭, আহমাদ; ২১৩৩, ২২৯০, ৩০৮৯, ৫৫৩৫, দারেমী; ১৫৭০]

Read More
Unknown

অনলাইনে সহজে বাংলায় কুরআন অনুবাদ পড়ুন

  Unknown      Thursday, 26 November 2015     অন্যন্য , ই-বুক , ইসলাম শিক্ষা , ভিন্ন স্বাদের খবর      No comments   
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম

বাংলা ভাষী পাঠকদের সহজে ইন্টারনেটে বাংলায় কুরআন অনুবাদ পড়তে আগ্রহী করার লক্ষেই Muminun (http://www.muminun.net ) website টি উদিত। অনুবাদ পড়ার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেবার কারন আমি নিচে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করি সেই পর্যন্ত সঙ্গেই থাকবেন।
আমার বিশ্বাস website টি আপনাদের ভাল লাগবে এবং আপনি কুরআন পড়তে উৎসাহিত হবেন। কারন এ website টি গতানুগতিক নয় এবং এর navigation খুব সহজ। 
আর বাংলা লিখন software install ছাড়াই Unicode font এ বাংলায় লিখে, আয়াত খোঁজ করার সুবিধা আছে। ইসলামকে আরও জানতে এই সাইটির সঙ্গে রয়েছে সমৃদ্ধ ইসলামীক ওয়েব সাইটের লিং এবং ইসলামীক বিভিন্ন Resources (eg. free eBook, mp3, lecture, video, download, forum, blog, software etc)
বাংলায় কুরআন অনুবাদ পড়তে দেখুন:
http://www.muminun.net/bengali/ 

অথবা
Islamic web directory জন্য দেখুন: http://www.muminun.net/iwd/ 
আমি মনে করি নিজের ভাষায় কুরআন পড়া খুবই প্রয়োজন যদি আরবি না জানেন। কারন কুরআন বুঝে পড়ার প্রতি গুরত্ব আরপ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে একটি হাদিস উল্লেখ করা যেতে পারে।
"জুনদুব বিন আবদুল্লাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আনহু), নবী (সাল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, যতক্ষন তোমরা কোরআ’ন ব্যাখ্যার সাথে একমত পোষণ কর ততক্ষন তোমরা কোরআ’ন তেলওয়াত কর। আর যখন তার অর্থ ও ব্যাখ্যা সম্পর্কে দ্বিমত হবে তখন সাময়িক ভাবে এর তেলাওয়াত বদ্ধ রাখবে।" (বোখারী)
আল্লাহ বলেছেন : "অবশ্যই আমি [এই কুরআন] তোমার ভাষায় সহজ করে প্রকাশ করেছি, যেনো তারা [এর উপদেশে] মনোযোগ দিতে পারে।" [৪৪:৫৮]
কুরআন আরবি ভাষায় নাজিল হওয়ার সমসাময়িকদের বুঝতে সুবিধা হয়েছিল। যদিও আরবি খুবই rich একটা language; অনুবাদের প্রকৃত অর্থ দার করাও কঠিন। কিন্ত শুরু করার জন্য প্রথমে নিজের ভাষায় পুরো কুরআন একবার শেষ করা জরুরি। এতে আগ্রহ বাড়বে এবং ভ্রান্ত চিন্তা থেকে নিস্তার পাবেন। আমি মনে করি, প্রতিদিন কুরআন পড়া নিজের ঈমান রক্ষায় সহায়কের ভুমিকা পালন করে। এবং আমার মনে হয়েছে আমরা অনেকেই পড়তে চাই কিন্তু প্রথম বাধা হিসেবে মনে করি আরবি। অজু করা/পবিত্রতা অবলম্বনের অলসতা ইত্যাদি। মনে হতে পারে এটা পড়তে পবিত্রতার প্রয়োজন কি নেই? অবশ্যই আছে, তবে কুরআনের আসল কিতাব পড়ার মত নয়। কেননা মনে রাখতে হবে কুরআনের অনুবাদ কিন্তু কুরআন নয়। অজু ছাড়াও বাংলা অনুবাদ পড়া যায়। আপনি যদি serious পাঠক হয়ে থাকেন তবে আপনাকে বলব অর্থ সহকারে original book টি পড়ুন, সম্ভব হলে ভাষা শিখে নিন।
বর্তমানে নাস্তিকতা যে পরিমান পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে, আমার মনে হয়েছে তা কুরআন না পড়া/জানার কারনেই। অনেকে নিজেকে নাস্তিক বা নাস্তিকতা হওয়াকে খোলা মনের বা বুদ্ধিমত্তার পরিচয় বলে মনে করেন। এবং কুরআন না পড়েই অমূলক বাজে মন্তব্য করেন। কিন্তু আপনি যদি খোলা মনের দাবি করে থাকেন তবে এটা না পড়া/জানা কি ধরনের খোলা মনের মানসিকতা বলুন? যে কোন জানার বিষয়কে আপনার স্বাগত জানানো উচিত। তাছাড়া আপনি কিভাবে জানবেন বা মানবেন যদি নাই পড়েন আপনার সৃষ্টিকর্তা কি আদেশ নিষেধ পালন করতে বলেছেন তাঁর কিতাবে। আল্লাহ বলেছেন :
"তবে কি উহারা কুর-আন সম্বন্ধে অভিনিবেশ সহকারে চিন্তা করে না? না উহাদের অন্তর তালাবদ্ধ?" [৪৭:২৪]
"আমি তো তোমাদের প্রতি এক কিতাব অবতীর্ণ করেছি; এতে তোমাদের জন্যে উপদেশ রয়েছে। তোমরা কি বোঝ না?" [২১:১০]
ছোট দুটি উদাহরন দেই বোঝার সুবিধার্থে। ধরুন কোন এক কোম্পানির বাধ্যতামূলক নিয়ম হচ্ছে, তাদের রুল রেগুলেশন গুলো শুরুতেই পড়ে জেনে নিবেন এবং সেভাবে নিয়ম মেনে চলবেন। এখন আপনি একজন শিক্ষিত ও বুদ্ধি সম্পূর্ন কর্মচারি হিসেবে কি করবেন? নিজেই পড়ে নিবেন? নাকি অন্যের কাছ থেকে শুনে নিবেন যে পড়েছেন? নাকি কিছুই করবেন না? নিশ্চয় আপনি একমত হবেন প্রথম কাজটি করেবেন। যদিও ধরে নেই অন্যের থেকে শুনে নিবেন সেক্ষেত্রে কিন্তু বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা থাকে এবং অনেক জরুরি নির্দেশনা missing যেতে পারে যার কারনে আপনার চাকুরিও চলে যেতে পারে! বরং তাদের সাহায্য নিতে পারেন যদি কোথাও বুঝতে সমস্যা হয়। আর যদি না পড়েন তবে ঝামেলায় তো পড়বেনই!
আবার ধরুন অজানা কোন ভাষায় আপনাকে কোথাও যেতে নির্দেশ করা হল। এবং কিভাবে যাবেন তা আপনার অজানা ভাষায় বলে দেয়া হল। আপনি যাবার সুবিধের জন্য বক্তার কথা মুখস্ত করে ফেললেন। কিন্তু এত কি আপনি কাঙ্খিত স্থানে পৌছাতে পারবেন? আপনার দরকার ভাষা উদ্ধার করা/বোঝা; তবেই পৌছাতে পারেন সুন্দর এবং ঝামেলাহীন ভাবে।
সবারই কুরআন পড়া উচিত। কেননা এ ব্যাপারে কেন মনকে জানা থেকে বঞ্চিত করবেন। এবং আমার বিশ্বাস, আপনি আস্তিক- নাস্তিক যে বিশ্বাসের অনুসারী হন না কেন; পড়তে শুরু করুন দেখবেন মনের অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেছেন। কুরআন খুব বিশাল পৃষ্টার গ্রন্থ নয়; দেখবেন শেষ করতে বেশি সময়ও লাগবে না। কিন্তু এটা পড়ার পড় achievement টি হবে অন্য রকম। কুরআন সম্পর্কে আমাদের বেশির ভাগ লোকের achievement ভাসা ভাসা, শুধুই আরবি পড়া অথবা শোনা। আবার আজকাল অনেক মুর্খ পন্ডিত এটা ভাবেন যে কুরআন তো ধর্মের বই এতে জ্ঞানের কি শেখার আছে এবং অন্যান্য ধর্ম এবং ধর্ম বইয়ের সঙ্গে তুলনা করেন। আমি নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারি, বইটা আপনি একবার পড়ুন; আপনি আপনার সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হবেন; এই বইয়ের নিজস্ব বলার যে শক্তি তা আপনাকে মুগ্ধ করবে, কখনো বিস্মিত হবেন এবং আপনাকে চিন্তা করতে আগ্রহী করে তুলবে। এবং আপনি সত্যই যদি সৎ হৃদয়ে জানার জন্য পড়েন তবে উপকৃত হবেন।
একটা বিষয় আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন আল্লাহকে স্মরণ করা প্রয়োজন আমাদের নিজেদের প্রয়োজনে; আল্লাহর প্রয়োজনে নয়। আল্লাহ অভাব মুক্ত এবং সব কিছু থেকে পবিত্র। আমাদের বেঁচে থাকা কিম্বা নতুন সৃষ্টির জন্য existing বস্তুর সাহায্যের প্রয়োজন তা কিন্তু আল্লাহর প্রয়োজন নেই। তাঁর সৃষ্টির কোন কিছুর উপরই তিনি dependent নন। যা কিনা, বিজ্ঞান নিয়ে যারা বড়াই করেন শুধু তারাই নন, কারই পক্ষেও সম্ভব নয়। আর আমরা স্মরণ করলেই আল্লাহ কেবল আমাদের সাহায্য এবং স্মরণ করবেন সৎ পথের দিকে। আর দূরে রাখতে চাইলে তাতেও আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করবেন। যাতে আরো বিভ্রান্ত হন। ভেবে দেখুন, আল্লাহ চাইলে সব কিছুই কিন্তু নিয়মের মধ্যে তৈরি করতে পারতেন। কিন্তু তিনি আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছেন এবং সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন। আর এটাই তাঁর পরীক্ষা এবং তিনি তা দেখার অপেক্ষায় আছেন; কে তাকে না দেখে বিশ্বাস ও সৎকর্ম করেছে এবং তাঁর কথা মত চলেছে; এবং ন্যায়-অন্যায়ের জন্য বিচারের ও ভাল কাজের জন্য পুরষ্কারের ব্যবস্থা রেখেছেন। এটা যদি না থাকতো, তবে ভেবে দেখুন আপনার খারাপ-ভাল কাজে কি যায় আসে, মারা গেলে তো আর বিচারের মুখামুখি হত্তয়ারতো ভয় নেই! ধন্যবাদ আপনাকে blog টি পড়ার জন্য। আশা করছি উপকৃত হলে অন্যদের সঙ্গে share করবেন।
Read More

Wednesday, 18 November 2015

Unknown

মহানবী (সাঃ) এর নামায আদায়ের পদ্ধতি [ANDROID APP & BOOK DOWNLOAD]

  Unknown      Wednesday, 18 November 2015     ই-বুক , ইসলাম শিক্ষা , গ্রাফিক্স ডিজাইন , জোকস , ডাউনলোড , প্রযুক্তি কথন      No comments   
আমি প্রত্যেক মুসলমান নারী ও পুরুষের উদ্দেশ্যে নবী করীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরনামায আদায়ের পদ্ধতিসম্পর্কে সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করতে ইচ্ছা করছি। এর উদ্দেশ্য হলো যে,যাঁরা এপসটি লোড করবেন তাঁরা যেন প্রত্যেকেই(নারী/পুরুষ) নামায পড়ার বিষয়ে নবী করীমসাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণ করতে পারেন। মনে রাখতে হবে এখানেযে পদ্ধতিরকতা বলা হবে তা নারী/পুরুষ সবার জন্য একি নিয়ম।কারন রাসুল (সঃ) নারী/পুরুষের জন্যআলাদা কোন পদ্ধতি বলেজাননি।তবে নারীদের নামাজর ক্ষেত্রে যে ভিন্যতা আছে তা কেবলমাত্রতাদের সতর এবং ইমামতি ও ভুল সংশুধনের ক্ষেত্রে আছে।বাদ বাকি সব পদ্ধতি পুরুষের ন্যায়একি।
এ সম্পর্কে নবী করীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন :
“তোমরা সেভাবে নামায আদায় কর, যে ভাবে আমাকে নামায আদায় করতে দেখ।” (বুখারী)
আমাদের এই এপসে যা যা থাকছে নিচের স্ক্রীনশট গুলি দেখে নেন।
যেভাবে আমাদের এপসটি আপনে দেখতে পাবেন বা যা যা থাকছে।
Screenshot_2014-10-18-23-21-10Screenshot_2014-10-18-23-21-19
Screenshot_2014-10-18-23-22-09Screenshot_2014-10-18-23-22-14 Screenshot_2014-10-18-23-22-03  

নবী করীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নামাযআদায়ের পদ্ধতি.
APP DOWNLOAD করুন MEDIAFIRE থেকে।
অথবা
APP DOWNOLAD করুন MEDIAFIRE থেকে।
অথবা
BOOK DOWNOLAD করুন MEDIAFIRE থেকে
অথবা
APP DOWNLOAD করুন APP STORE থেকে।
Read More

Wednesday, 4 November 2015

Unknown

☆ দাঁড়ান জবাব দিয়ে যান ☆

  Unknown      Wednesday, 4 November 2015     অন্যন্য , ইসলাম শিক্ষা , প্রযুক্তি কথন , সফটওয়ার      No comments   
☆ দাঁড়ান জবাব দিয়ে যান ☆
☞ আপনি কি মাদ্রাসার কোন ছাত্রকে গাড়ি
হেলপার ও সুপারভাইজারদের গালি দিতে দেখেছেন ?
☞ আপনি কি মাদ্রাসার ছাত্র কোন রিকশার
চালককে থাপ্পর দিতে দেখেছেন ?
☞ আপনি কি রাস্তা-ঘাটে কখনোলক্ষ্য করেছেন
যে, মাদ্রাসার ছাত্র কোন মেয়েকে শিস্ দিতে ?
☞ আপনি কি বলতে পারবেন? যে,
মাদ্রাসার কোন ছাত্র তার বৃদ্ধ মা- বাবাকে ঘর
হতে বের করে বৃদ্ধাশ্রমে দিয়েছে ?
☞ আপনি কি শুনেছেন যে মাদ্রাসায় দু গ্রুপে মাঝে
সংঘর্ষের দ্বারা হতাহত হয়েছে ?
☞ আপনি কি কখন চিন্তা করেছেন যে,
মাদ্রাসার ছাত্র মদ খেয়ে রাস্তায় টালমাটাল
হয়ে চলতে ?
☞ আপনি কি কখনো জেনেছেন যে মাদ্রাসার কোন ছাত্র
ইভটিজিং বা ধর্ষনের মামলা খেতে ?
☞ আপনি কি কখনো শুনেছেন যে, কোন মাদ্রাসার
ছাত্রাবাসে সাইকেলের চেইন, হকিষ্টিক,
রান্দা, ছুরি, পিছতল ধরাপরেছে?
▶ এমন হাজারো প্রশ্ন
আছে যার উত্তর দেয়া আপনার পক্ষে
সম্ভব না !
তাহলে কেন এমন মিথ্যা
অপবাদ নিয়ে চলতে হবে একজন নবীর
ওয়ারিশকে?
সময় থাকতে ভাবুন, না হয়
পরে পস্তাবেন !!

Read More

Monday, 2 November 2015

Unknown

[ইসলামিক গল্প] মহানবী (সা.) মৃত্যুর সময়ের একটি সত্য ঘটনা!

  Unknown      Monday, 2 November 2015     অন্যন্য , ইসলাম শিক্ষা      No comments   
নবীজির মৃত্যুর সময় জিবরাইল (আ.) আসলেন, এসে নবীজিকে সালাম দিলেন, আর বল্লেন হে আল্লাহ‘র রাসুল। আল্লাহ আপনাকে সালাম দিয়েছে, আর জানতে চেয়েছে আপনি কেমন আছেন। আল্লাহ সব জানেন তার পরও আপনি কেমন আছেন সেটা আপনার মুখ থেকে জানতে চেয়েছেন।

নবীজি (সা.) বললেন, আমি বড়ই কষ্টের ভিতর আছি, অসুস্হ অবস্থায় আছি। তখন জিবরাইল (আ.) বললেন, ইয়া রাসুলল্লাহ (সা.) আমার সাথে আজ একজন নতুন ফেরেশতা এসেছে, যে ফেরেশতা কোন মানুষের কাছে আসার জন্য কোন দিন অনুমতি চায় নাই, আর কোনদিন অনুমতি চাইবেও না, শুধু আপনার অনুমতি চায় আপনার কাছে আসার জন্য।

আর সে ফেরেস্তার নাম মালাকুল মউত, মালাকুল মউত রাসুলের (সা) অনুমতি নিয়ে রাসুলের (সা.) জান মোবারকের কাছে এসে সালাম দিলেন, বললেন ইয়া রাসুলল্লাহ(সা.), আমি আদম (আ.) থেকে শুরু করে এই পর্যন্ত যত মানুষের জান কবচ করেছি, আর কেয়ামত পর্যন্ত যত মানুষের জান কবচ করবো কারো কাছে অনুমতি চাইনি আর চাওয়াও আমার লাগবে না, কিন্তু আজকে আসার সময় আল্লাহ বলেছেন আমি যেন আপনার অনুমতি চাই, নবীজি বললেন মালাকুল মউত আমি যদি অনুমতি না দেই? মালাকুল মউত বলে ইয়া রাসুলল্লাহ আল্লাহ বলেছেন যদি অনুমতি না পাও ফিরে এসো।

‘আল্লাহু আকবার’
Read More

Saturday, 31 October 2015

Unknown

ইসলাম শিক্ষা : সমসাময়িক ও দাজ্জালের ফেতনা থেকে মুক্তি লাভের আমল!

  Unknown      Saturday, 31 October 2015     ইসলাম শিক্ষা      No comments   


হজরত আবু দারদা রা. বলেন: রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি সুরা কাহফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্ত করবে সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে রক্ষা পাবে। (মুসলিম-১৯১৯)
ফজিলত : হজরত আবু দারদা রা. বলেন: রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি সুরা কাহফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্ত করবে সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে রক্ষা পাবে। (মুসলিম-১৯১৯)
মুসলিম শরিফের অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, তোমাদের কেউ যদি তাকে পেয়ে যায় তাহলে সে যেনো তার উপর সুরা কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত পড়ে।
অন্য এক বর্ণনায় উপরোক্ত ফজিলত সুরা কাফাহের শেষ দশটি আয়াত মুখস্ত করার ব্যাপরে বর্ণিত হয়েছে। (মুসলিম-১৯২০) তাই সুরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত ও শেষ দশ আয়াত উভয়টির উপর আমল করাই উত্তম।
উল্লেখ্য যে, হাদিস ব্যাখ্যাতাগণ সুরা কাহাফের প্রথম আয়াতসমুহের সঙ্গে দাজ্জালের ফেতনার সঙ্গে সম্পর্ক বর্ণনা করতে গিয়ে লেখেন যে, দাজ্জাল শব্দটি দাজল শব্দমূল থেকে এসেছে যার অর্থ হলো মিথ্যা বলা, সত্য মিথ্যা বা হক বাতিলের মিশ্রণ ঘটানো। সুরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াতের অর্থে ও আসহাবে কাহাফের ঘটনায় হক বাতিলের মিশ্রণজনিত মিথ্যা ধর্মাবলম্বীদের ঘটনার খ-ন করা হয়েছে। তাই যে ব্যক্তি এ বিষয়ে পূর্ণ একিনের সঙ্গে এ আয়াতগুলো পড়বে তার মন কখনো এ জাতীয় কোনো মিথ্যা ফেতনার দ্বারা প্রভাবিত হবে না। আর যে ব্যক্তি এ আয়াতগুলো মুখস্ত করবে এবং একিনের সঙ্গে তেলাওয়াত করবে এ আয়াতগুলোর বরকতে আল্লাহ তায়ালা তাকে দাজ্জালের ফেতনার মতো ছোট বড় সব ফেতনা থেকে রক্ষা করবেন। [সহি মুসলিম-১/২৭১, আনওয়ারুল বায়ান-৫/৪৫৪, মাআরিফুল হাদিস-৫/৯৪৫]
সুরা “কাহাফ” -এর প্রথম ১০টি আয়াত ও শেষ ১০টি আয়াত প্রতিদিন সকালে একবার পড়া।
প্রথম ১০ আয়াত
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَى عَبْدِهِ الْكِتَابَ وَلَمْ يَجْعَلْ لَهُ عِوَجًا (1) قَيِّمًا لِيُنْذِرَ بَأْسًا شَدِيدًا مِنْ لَدُنْهُ وَيُبَشِّرَ الْمُؤْمِنِينَ الَّذِينَ يَعْمَلُونَ الصَّالِحَاتِ أَنَّ لَهُمْ أَجْرًا حَسَنًا (2) مَاكِثِينَ فِيهِ أَبَدًا (3) وَيُنْذِرَ الَّذِينَ قَالُوا اتَّخَذَ اللَّهُ وَلَدًا (4) مَا لَهُمْ بِهِ مِنْ عِلْمٍ وَلَا لِآبَائِهِمْ كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ إِنْ يَقُولُونَ إِلَّا كَذِبًا (5) فَلَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَفْسَكَ عَلَى آثَارِهِمْ إِنْ لَمْ يُؤْمِنُوا بِهَذَا الْحَدِيثِ أَسَفًا (6) إِنَّا جَعَلْنَا مَا عَلَى الْأَرْضِ زِينَةً لَهَا لِنَبْلُوَهُمْ أَيُّهُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا (7) وَإِنَّا لَجَاعِلُونَ مَا عَلَيْهَا صَعِيدًا جُرُزًا (8) أَمْ حَسِبْتَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَهْفِ وَالرَّقِيمِ كَانُوا مِنْ آيَاتِنَا عَجَبًا (9) إِذْ أَوَى الْفِتْيَةُ إِلَى الْكَهْفِ فَقَالُوا رَبَّنَا آتِنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا (10)
প্রথম দশ আয়াতের অর্থ
১। সব প্রশংসা আল্লাহরই যিনি তাঁর বান্দার প্রতি এই কিতাব অবতীর্ণ করেছেন এবং তাতে তিনি বক্রতা রাখেননি। ২। এটাকে করেছেন সুপ্রষ্ঠিত, কঠিন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করার জন্য। এবং মুুমিনগন যারা সৎ কাজ করে; তাদেরকে এই সুসংবাদ দেয়ার জন্য যে, তাদের জন্য রয়েছে উত্তম পুরস্কার। ৩। সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে। ৪। এবং সতর্ক করার জন্য তাদেরকে যারা বলে আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করছেন। ৫। এই বিষয়ে তাদের কোন জ্ঞান নেই এবং তাদের পিতৃপুরুষদেরও ছিলো না। তাদের মুখনিঃসৃত বাক্য কী সাংজ্ঞাতিক! তারা তো কেবল মিথ্যাই বলে। ৬। তারা এই বাণী বিশ্বাস না করলে সম্ভবত তাদের পেছনে ঘুরে ঘুরে তুমি দুঃখে আতœবিনাশী হয়ে পড়বে। ৭। পৃথিবীর যা কিছু আছে আমি সেগুলোকে তার শুভা করেছি, মানুষকে এই পরীক্ষা করার জন্য যে, তাদের মধ্যে কাজে শ্রেষ্ঠ কে? ৮। তার উপর যা কিছু আছে তা অবশ্যই আমি উদ্ভিদশূণ্য ময়দানে পরিনত করবো। ৯। তুমি কি মনে করো যে, গুহা ও রাকিমের অধিবাসীরা আমার নিদর্শনাবলীর মধ্যে বিষ্ময়কর? ১০। যখন যুবকরা গুহায় আশ্রয় নেয় তখন তারা বলেছিলো, হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি নিজ থেকে আমাদেরকে অনুগ্রহ দান কর, এবং আমাদের জন্য আমাদের কাজকর্ম সঠিকভাবে পরিচালনার ব্যবস্থা করো।
শেষ ১০ আয়াত
أَفَحَسِبَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَنْ يَتَّخِذُوا عِبَادِي مِنْ دُونِي أَوْلِيَاءَ إِنَّا أَعْتَدْنَا جَهَنَّمَ لِلْكَافِرِينَ نُزُلًا (102) قُلْ هَلْ نُنَبِّئُكُمْ بِالْأَخْسَرِينَ أَعْمَالًا (103) الَّذِينَ ضَلَّ سَعْيُهُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَهُمْ يَحْسَبُونَ أَنَّهُمْ يُحْسِنُونَ صُنْعًا (104) أُولَئِكَ الَّذِينَ كَفَرُوا بِآيَاتِ رَبِّهِمْ وَلِقَائِهِ فَحَبِطَتْ أَعْمَالُهُمْ فَلَا نُقِيمُ لَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَزْنًا (105) ذَلِكَ جَزَاؤُهُمْ جَهَنَّمُ بِمَا كَفَرُوا وَاتَّخَذُوا آيَاتِي وَرُسُلِي هُزُوًا (106) إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ كَانَتْ لَهُمْ جَنَّاتُ الْفِرْدَوْسِ نُزُلًا (107) خَالِدِينَ فِيهَا لَا يَبْغُونَ عَنْهَا حِوَلًا (108) قُلْ لَوْ كَانَ الْبَحْرُ مِدَادًا لِكَلِمَاتِ رَبِّي لَنَفِدَ الْبَحْرُ قَبْلَ أَنْ تَنْفَدَ كَلِمَاتُ رَبِّي وَلَوْ جِئْنَا بِمِثْلِهِ مَدَدًا (109) قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ يُوحَى إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ فَمَنْ كَانَ يَرْجُو لِقَاءَ رَبِّهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلًا صَالِحًا وَلَا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا (110)
শেষ দশ আয়াতের অর্থ
১। যারা কুফুরি করে তারা কি মনে করে যে, তারা আমার পরিবর্তে আমার বান্দাদেরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করবে? নিশ্চয় আমি কাফেরদের আপ্যায়নের জন্য জাহান্নাম প্রস্তুত রেখেছি। ২। বলো, আমি কি তোমাদের সংবাদ দেবো কাজে বিশেষ ক্ষতিগ্রস্তদের? ৩। ওরাই তারা, পার্থিব জীবণে যাদের চেষ্টা পন্ড হয়, যদিও তারা মনে করে যে, তারা সৎ কাজই করছে। ৪। ওরাই তারা, যারা অস্বীকার করে তাদের প্রতিপালকের নিদর্শনাবলী এবং তার সঙ্গে তাদের সাক্ষাতের বিষয়, ফলে তাদের কর্ম বিফল হয়ে যায়, সুতরাং কেয়ামতের দিন তাদের জন্য ওজনের কোন ব্যবস্থা রাখবো না। ৫। জাহান্নাম; এটাই তাদের প্রতিফল, যেহেতু তারা কুফুরি করেছে এবং আমার নিদর্শনাবলী ও রাসূলদের গ্রহণ করেছে বিদ্রুপের বিষয় স্বরূপ। ৬। যারা ইমান আনে ও সৎ কাজ করে তাদের আপ্যায়নের জন্য আছে, ফেরদাউসের উদ্যান। ৭। সেখানে তারা স্থায়ী হবে, সেখান থেকে স্তানান্তরের কামনা করবে না। ৮। বলো, আমার প্রতিপালকের কথা লিপিবদ্ধ করার জন্য সমূদ্র যদি কালি হয় তবে আমার প্রতিপালকের কথা শেষ হওয়ার আগেই সমুদ্র নিঃশেষ হয়ে যাবে, এটার সাহায্যার্থে আমরা এটার অনুরূপ নিয়ে আসলেও। ৯। বলো, আমি তো তোমাদের মত একজন মানুষই, আমার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় যে, তোমাদের ইলাহ একমাত্র ইলাহ। সুতরাং যে তার প্রতিপালকের সাক্ষাৎ কামনা করে সে যেনো সৎ কাজ করে এবং তার প্রতিপালকের ইবাদতে কাউকে শরিক না করে।
মূল- হজরত মাওলানা ইউনুস বিন উমর পালনপূরী
অনুবাদ- মাওলানা মিরাজ রহমান

Read More
Older Posts → Home

Blog Archive

  • ▼  2016 (5)
    • ▼  August (5)
      • যানজট নিয়ন্ত্রণে থাকবে ১ হাজার রোভার স্কাউট’ ...
      • সুচির উদ্যোগে বিদ্রোহীদের সাথে আলোচনায় মায়ানমার
      • মিটিংয়ে ঘুমানোই কর্মকর্তাকে খুন!
      • ৪ সেপ্টেম্বর ট্যানারি শ্রমিকদের কর্মবিরতি
      • শফিক রেহমানকে তিন মাসের জামিন
  • ►  2015 (154)
    • ►  December (16)
    • ►  November (127)
    • ►  October (11)
  • ►  2014 (1)
    • ►  November (1)

Popular Posts

  • যারা ফেসবুক পেজ ব্যবহার করেন তাদের জন্য পেজ ম্যানেজার অ্যাপস
    আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের কে একটি নতুন অ্যাপস এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। ফেসবুকের কোনো পেজের অ্যাডমিন মানেই সব সময় সেই পে...
  • কীভাবে হবেন ফেসবুক সেলিব্রেটি? টিপস এবং দুই নম্বরী উপায় সমগ্র
    ফেসবুক সেলিব্রেটি এখন সময়ের আলোচিত বিষয়। সেদিন একটা স্ট্যাটাসে জিজ্ঞেস করেছিলাম আমরা বাঙালী জাতি তো খালি ভাগই হই। কে জানি বলেছিল বাঙালী ...
  • Radio Today
    Radio Today FM 89.6 the first and no. 1 private radio, first went on air in May 2006 in Dhaka. From 15th Oct 2006 it expanded coverage to ...
  • গোপাল ভাড়ের মজার গল্প
    গ্রাম বাংলার গল্পে, কিচ্ছা কাহিনীতে গোপাল ভাঁড়ের গল্প প্রায়শই শোনা যায়। আমি নিজেও গোপাল ভাঁড়ের গল্প শুনেই বড় হয়েছি। পাঠকদের জন্য গোপাল...
  • বাংলাই ব্লগার ব্লগ শিখার জন্য চমৎকার বই ডাউনলোড করে নিন
    আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা , আশাকরি সবাই ভাল সুস্থ আছেন। যাই হোক আমি বেশি কিছু দিন থেকেই অনেক পরিশ্রম করে একটি ইবুক লিখাম এবং সেটাই আজক...
  • গুগলের ১০টি অজানা সার্ভিস
    আপনি একজন কম্পিউটার ব্যবহারকারী বা স্মার্টফোন ব্যবহারকারী হলে নিশ্চয়ই আপনি নেট ব্যবহার করে থাকেন। আর ইন্টারনেট ব্যবহার করেছেন কিন্তু গুগ...
  • রাজশাহীতে ‘গ্যাস সিলিন্ডার’ বিস্ফোরণে আহত ৪
    রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে আয়োজনের সময় বেলুনে গ্যাস ভরতে গিয়ে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে ৪ জন আহত হয়েছে। শনিবার সকাল ৮...
  • (বাংলা গল্প) বকুল
    বকুল আমার লেখা প্রথম গল্প । আশা করি গল্পটা সবার ভাল লাগবে ।  ধন্যবাদ । বকুল     Shahoreyar Mostofa শ্রেয়া রোজ স্কুলে যাওয়ার ...
  • শফিক রেহমানকে তিন মাসের জামিন
    শফিক রেহমানকে তিন মাসের জামিন অনলাইন ডেস্ক   লিড নিউজ আপডেট: ০১:১২:৪০ PM, বুধবার, আগস্ট ৩১, ২০১৬ প্রধানমন্ত্রী শেখ হ...
  • WIFI এর পাসওয়ার্ড জেনে নিন একদম সহজে
    একথা আপনাকে মানতেই হবে যে এন্ড্রয়েড দিয়ে WIFI এর পাসওয়ার্ড আসলেই হ্যাক করা যায়না!! এর জন্য অনেক এপ,টিঊটোরিয়াল থাকলেও একটাও ...

Labels

  • Online Radio
  • অন্যন্য
  • অফার
  • ই-বুক
  • ইসলাম শিক্ষা
  • উইন্ডোজ
  • এন্ডয়েড
  • ওয়ায়ার্ডপ্রেস
  • কম্পিউটার
  • খেলাধুলা
  • গুগল
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • জোকস
  • টিপস-ট্রিকস
  • ডাউনলোড
  • প্রযুক্তি কথন
  • প্রোগ্রামিং
  • ফেসবুক
  • ফ্রিল্যান্সার
  • বাংলা কবিতা
  • বাংলা গল্প
  • বিনেদন
  • ব্লগার
  • ভিন্ন স্বাদের খবর
  • লেখাপড়া
  • সফটওয়ার
  • সাস্থ কথা

Facebook Fan

Powered by: Blogger
About Us | Contact Us | Privacy | Sitemap | Terms Condition | Others
Copyright © Shahoreyar Mostofa All Rights Reserved |