Select Menu
  • Home
  • Blog Design
  • Widgets
    • HTML Editor
    • HTML Parser
    • Counter Tool
    • Css Minifier
    • Live Viewer
    • Color Code
  • SEO
  • Online Earning
  • Technology
  • About Us
  • Contact Us
  • Download
  • About Us
  • Contact Us
  • Privacy
  • Sitemap
  • Download
Shahoreyar Mostofa
  • Home
  • Blog Design
  • Widgets
  • SEO
  • Android
    • Adroid Tips
    • Android Apps
    • Android News
  • Earning
  • Error404
লেখাপড়া
Showing posts with label লেখাপড়া. Show all posts
Showing posts with label লেখাপড়া. Show all posts

Tuesday, 24 November 2015

Unknown

এখন গোলাপ গাছে বিদ্যুৎ

  Unknown      Tuesday, 24 November 2015     প্রযুক্তি কথন , ভিন্ন স্বাদের খবর , লেখাপড়া      No comments   
গোলাপ গাছ থেকে যেভাবে শক্তি আহরণ করা যায় তা গ্রাফিকসের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। ছবি: লিংকপিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌজন্যে।জীবন্ত উদ্ভিদের মধ্যেই বৈদ্যুতিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব। তা করে দেখালেন সুইডেনের লিংকপিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। তাঁরা বলছেন, আলোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি আহরণের একটি পথ খুলে দেবে তাঁদের যুগান্তকারী এই উদ্ভাবন। 

টেলিগ্রাফ অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, গবেষকেরা বাগানের একটি গোলাপ গাছের মধ্যে বৈদ্যুতিক সার্কিট তৈরি করেন। বিদ্যুৎ পরিবাহী দ্রবণীয় পলিমারযুক্ত পানির একটি পাত্রে গোলাপ গাছটিকে বসান তাঁরা। গাছটি যখন পানি শোষণ করে তখন বিদ্যুৎ পরিবাহী ও উপাদানগুলোও গাছ শোষণ করে নিজের প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করে নেয়। ফুলের রং যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফুটে উঠেছে এটি সেই একই রকম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। গবেষণা সংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে সায়েন্স অ্যাডভান্সেস সাময়িকীতে।

গবেষণা নিবন্ধের প্রধান লেখক ম্যাগনাস বারগ্রেন বলেন, গোলাপ গাছটির ভেতর পলিমারের দ্রবণগুলো গাছের আয়নের সঙ্গে মিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি তার তৈরি করে ফেলে যা দিয়ে একটি বৈদ্যুতিক সার্কিট তৈরি করে ফেলা যায়। 

গবেষক বারগ্রেন বলেন, ‘যত দূর পর্যন্ত জানি, এখনো গাছের মাধ্যমে তৈরি ইলেকট্রনিকস নিয়ে কোনো গবেষণাপত্র প্রকাশ হয়েছে। আমরা এখন তাই ‘পাওয়ার প্ল্যান্ট’ বিষয়ে কথা বলতে পারি। আমরা গাছে সেনসর বসিয়ে তা থেকে শক্তি সংগ্রহ করতে পারি অথবা নতুন উপাদান তৈরি করতে পারি।’ 
গবেষক বারগ্রেন দাবি করেন, এ প্রক্রিয়ার উৎপাদিত সবকিছুই প্রাকৃতিক এবং এ ক্ষেত্রে গাছের নিজস্ব অনন্য পদ্ধতিটিই ব্যবহার করা হয়।
Read More
Unknown

হার না মানা শিক্ষার্থী, ৭৮ বছরে এমএ

  Unknown      Tuesday, 24 November 2015     অন্যন্য , ভিন্ন স্বাদের খবর , লেখাপড়া      No comments   
ভবিষ্যতে ইংরেিজতে পিএইচডি করতে চান মনমোহন বর্মণ। রংপুরের কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে তোলা ছবি l প্রথম আলোভবিষ্যতে ইংরেিজতে পিএইচডি করতে চান মনমোহন বর্মণ। রংপুরের            কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে তোলা ছবি lলালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার মনমোহন বর্মণের বয়স এখন ৮০ ছুঁই ছুঁই। এই বয়সে বেশির ভাগ মানুষই কাজকর্ম থেকে অবসর নেন। কিন্তু তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁর পড়াশোনা। তাই নাতনি শিপ্রা যখন স্নাতকে (সম্মান) পড়ছেন, তিনি তখন পড়ছেন মাস্টার্সে।
রংপুরের কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে মাস্টার্সের লিখিত পরীক্ষা শেষ করেছেন মনমোহন। ২২ নভেম্বর মৌখিক পরীক্ষা হয়েছে। হার না মানা এই বিদ্যার্থীর ইচ্ছা ভবিষ্যতে ইংরেজিতে পিএইচডি করার।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১৯৩৮ সালে হাতীবান্ধার পূর্ব বেজগ্রাম এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন মনমোহন বর্মণ (৭৮)। ব্রিটিশ শাসনামলে হাতীবান্ধা এলাকার একটি বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন। ’৪৭-এ দেশভাগের পর ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার পদমতি রহিমুদ্দিন হাইস্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েন। পরে দেশে ফিরে ১৯৬১ সালে এসএসসি পাসের পর হাতীবান্ধা এসএস উচ্চবিদ্যালয়ের সংস্কৃতের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। তবে ইংরেজিতে তাঁর ভালো দখল থাকায় চাকরির এক বছরের মাথায় তাঁকে ওই বিভাগের শিক্ষক করা হয়। শিক্ষকতার পাশাপাশি অনিয়মিত ছাত্র হিসেবে তিনি রাজশাহী সরকারি কলেজ থেকে ১৯৬৪ সালে এইচএসসি পাস করেন। আর ১৯৭০ সালে বিএ পাস করেন রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে। এরপর বিএড কোর্স শেষ। তবে ১৯৮৪-৮৫ সেশনে এমএডে ভর্তি হলেও অনুপস্থিতির কারণে পরীক্ষা দিতে পারেননি। ওই সময় তিনি ঠিক করে রেখেছিলেন চাকরি শেষে মাস্টার্স করবেন। ২০০০ সালে অবসরে যান তিনি। আর এ বছর রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে অনিয়মিত ছাত্র হিসেবে ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্স পরীক্ষায় অংশ নেন।
তাঁর ছাত্ররা অনেকেই আজ বিচারক, শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলীসহ নানা পেশায় আছেন। হাতীবান্ধা মহিলা ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক নাজমুল কায়েস বলেন, ‘মাধ্যমিকে স্যারের কাছেই ইংরেজি পড়ে আজ আমি কলেজে পড়াচ্ছি। স্যারের অনেক ছাত্র মাস্টার্স শেষে চাকরি করলেও স্যার উচ্চতর ডিগ্রি নিতে পড়াশোনা করে যাচ্ছেন। এটি সমাজের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’
হাতীবান্ধা আলিমুদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সারওয়ার হায়াত খান বলেন, ‘উনি আমার শিক্ষক। স্কুলজীবনে মনমোহন স্যার ক্লাসে ঢুকে আমাদের বলতেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। আমরা স্যারের কথায় চলেছি বলেই আজ সমাজের সেবা করতে পারছি।’ এখনো এই কলেজের ইংরেজি শিক্ষকের কেউ বাইরে থাকলে মনমোহন বর্মণকে ডেকে এনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।
স্বাধীনতাযুদ্ধেও তাঁর বিশেষ অবদান আছে। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ফজলুল হক বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় মনমোহন বর্মণ ভারতের শরণার্থী শিবিরে মুজিবনগর সরকারের আওতায় শিক্ষকতা করেছেন। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অভাবে তাঁর ওই অবদানের জন্য আজও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি মেলেনি।
সংসারজীবনে মনমোহন বর্মণ পাঁচ ছেলে ও চার মেয়ের বাবা। ছেলেমেয়েরা সবাই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে চাকরি করছেন। তাঁর বড় ছেলের মেয়ে শিপ্রা রংপুর রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক শেষে করতে চলেছেন। অন্য নাতি-নাতনিরাও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ছেন। মনমোহন বর্মণ এখন হাতীবান্ধার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করছেন।
মনমোহন বর্মণ বলেন, ‘শিক্ষার যেমন কোনো বিকল্প নাই, তেমনি শিক্ষা গ্রহণেরও কোনো বয়স নাই। তাই ভবিষ্যতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের লক্ষ্যেই পড়ালেখা করে যেতে চাই।’ তবে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের অধীনে শরণার্থী শিবিরে শিক্ষক হিসেবে পাঠদানের স্বীকৃতি চান তিনি। মৃত্যুর আগে দেখে যেতে চান মুক্তিযোদ্ধার সনদটি।
মনমোহনের বড় ছেলে ভক্তি বিকাশ বর্মণ জানান, তাঁদের বাবার পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ নিয়ে তাঁরাও আনন্দিত। এটি অন্যদের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।
Read More

Saturday, 21 November 2015

Unknown

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত কিছু তথ্য

  Unknown      Saturday, 21 November 2015     অন্যন্য , ভিন্ন স্বাদের খবর , লেখাপড়া      No comments   


প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাঁত আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে একটু খোঁজাখুঁজি করেও কিছু তথ্য যা দেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসার যোগ্য তা খুঁজে পেলাম না। তাই নিজে থেকেই কালেক্ট করে সেগুলো এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করবো। ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা, ব্যাংক এর পরীক্ষা, বিসিএস সহ যেকোনো পরীক্ষার প্রিপারেশনের জন্যেই এগুলো জেনে রাখা ভালো। :)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কবে? – ১৯২১ সালের ১ জুলাই
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্যে কোন কমিশন গঠন করা হয়েছিলো? – নাথান কমিশন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস কবে? – ১ জুলাই
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক সিবস – ১৫ অক্টোবর
কালো দিবস – ২৩ আগস্ট
নাথান কমিশনে কতজন সদস্য ছিল? – ১৪ জন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কতটুকু জমির উপর প্রতিষ্ঠিত? – ৬০০ একর জমির উপর
প্রতিষ্ঠার জন্য জমি কে দান করেছিলো? – স্যার নবাব সলিমুল্লাহ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন বিভাগ কতগুলো ছিল? – ১২টি
প্রতিষ্ঠাকালীন অনুষদ – ৩টি
অনুষদগুলো কি কি? – কলা, বিজ্ঞান ও আইন অনুষদ
প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক কত জন? – ৬০ জন
প্রতিষ্ঠাকালীন ছাত্র কত জন? – ৮৭৭ জন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কে প্রথম পি এইচ ডি ডিগ্রি লাভ করেন? – বিনয় ঘোষ
বঙ্গবন্ধু কোন বিভাগের ছাত্র ছিলেন? – বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের
শেখ হাসিনা কোন বিভাগের ছাত্রী ছিলেন – বাংলা বিভাগ
বর্তমানে ক্যাম্পাসের মোট আয়তন কত? – ২৫৮ একর
বর্তমানে কতগুলো বিভাগ রয়েছে এখানে? – ৭০টি
কতগুলো অনুষদ রয়েছে বর্তমানে? – ১৩টি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে রিসার্চ সেন্টার ও গবেষণা ব্যুরো আছে কয়টি? – ৩৮টি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলেদের হলের সংখ্যা কয়টি – ১৪ টি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের হলের সংখ্যা কয়টি? – ৫টি
মোট হল – ১৯টি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি –  পি জে হার্টস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম ও উপমহাদেশের প্রথম ভিসি – স্যার এ এফ রহমান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা ডিন কে ছিলেন? – বেগম আজিজুন্নেসা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ পর্যন্ত কতজনকে ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করেন? – ৫০ জন ( ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ অনুযায়ী)
আপনার জানা মতে কোন তথ্য ভুল আছে কি? নতুন কোন তথ্য সংযুক্ত করা যৌক্তিক মনে করেন কি? তাহলে কমেন্টে জানান আমাদের !
Read More

Wednesday, 18 November 2015

Unknown

ঘুমানোর সময় মোবাইল কাছে রাখলে যে মারাক্তক ক্ষতি হয়

  Unknown      Wednesday, 18 November 2015     টিপস-ট্রিকস , ভিন্ন স্বাদের খবর , লেখাপড়া      No comments   

অনেকেই ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন বন্ধ করেন না৷ অ্যালার্ম দিয়ে ফোনকে বালিশের নিচে বা পাশে রাখার অভ্যাস রয়েছে অনেকের৷ অনেকেই আবার ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোনটি সঙ্গী করে ঘুমান।যারা এ কাজ করেন তারা ঘুমানোর আগে বালিশের পাশে কিংবা বিছানার ওপর না রেখে কিছু দূরে কোনো কিছুর ওপরে ফোনটি রাখুন।  এতে ফোনের রেডিয়েশন থেকে ঘুম নষ্ট হবে না।  যখন অ্যালার্ম বাজবে তখন আপনাকে উঠে গিয়ে ফোন বন্ধ করতে হবে।  তাই অলসতা সহজেই কেটে যাবে।

মোবাইল ফোন বালিশের পাশে না রেখে কিছুটা দূরে সরিয়ে রাখলে ঘুম ভালো হয়।   বালিশের পাশে বা নিচে পড়ে থাকা ফোনটিতে কল এলে আচমকা ঘুম ভেঙে যায়।  বিছানায় ফোন সঙ্গী করে ঘুমানোর এই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসটি থেকে মুক্তি পেতে এবং শান্তিমতো ঘুমাতে বেশকিছু পরামর্শ দিয়েছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা ফোন পাশে রেখে ঘুমান, আগে সেটা বন্ধ করতে হবে।  ফোন থেকে নীল রঙের যে আলো নির্গত হয় তা মস্তিষ্ককে জাগিয়ে রাখে বলে ঘুম নষ্ট হয়।  যদিও কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা ট্যাব থেকেও এ ধরনের আলো নির্গত হয় কিন্তু ঘুমানোর আগে আপনার ছোট স্মার্টফোনটির ব্যবহারে ক্ষতি বেশি হয়।
মোবাইল থেকে নির্গত রেডিয়েশনে ক্যানসার বা এ-জাতীয় কোনো সমস্যা সৃষ্টির বিষয়ে গবেষকেরা নির্দিষ্ট উপসংহারে পৌঁছাননি।  তবে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ফোনের এই রেডিয়েশনের কারণে ঘুম চক্র নষ্ট হয়।
গান শুনতে শুনতে ঘুম
অনেকেই মোবাইল ফোনে গান চালিয়ে তা শুনতে শুনতে ঘুমান।  দেখা যায়, মোবাইল ফোনের সঙ্গে হেডফোন লাগিয়ে তা কানে দিয়ে ঘুমানোর আগে গান চালান অনেকেই।
অনেকেই ফেসবুক চালাতে চালাতে ফোন চালু রেখেই ঘুমিয়ে যান।  আবার অনেকেই ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় মেইল ব্যবহার করেন বা গেম খেলেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের অভ্যাস ঘুমানোর জন্য মোটেও ভালো নয়। এতে মানসিক চাপ বাড়তে থাকে।  আপনার ফোন ব্যবহার সীমিত করুন।
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফোন নিয়ে যাবেন না।  হাতের কাছে ফোন থাকলে তা বারবার ব্যবহার করার আগ্রহ বাড়বে।  আপনার ফোন রাখার জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা বরাদ্দ রাখুন।  যেখানে চার্জার, হেডফোন বা অন্যান্য টুকিটাকি দরকারি জিনিসপত্র রাখেন, আপনার মোবাইল ফোনটিও সেখানেই রেখে দিতে পারেন।  যাতে মস্তিষ্ক কিছুতেই বিক্ষিপ্ত না হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফোন ও মস্তিষ্কের মধ্যে অল্প তফাৎ থাকলে তা ঘুমের পরিমাণ ও ঘুমের মান দু’য়ের ওপরেই প্রভাব ফেলে৷ ফোন কাছে নিয়ে শুলে তা আমাদের স্নায়ুকে উত্তেজিত রাখে৷ অবচেতনে আমরা পরের ফোন অথবা ম্যাসেজের জন্য অপেক্ষা করে থাকি, যা আমাদের বেশিক্ষণ চোখ বন্ধ করে রাখতে দেয় না৷
রাতের অন্ধকারে ফোনের স্ক্রিনের আলো মানুষের চোখের রেটিনার পক্ষে ক্ষতিকারক৷ এই আলোই আমাদের মস্তিষ্ককে জানান দেয় ফোন অথবা ম্যাসেজ আসার প্রাথমিক খবর৷ এই আলো তন্দ্রার জন্য প্রয়োজনীয় হরমোনকে নিঃসরণ হতে বাধা দেয়৷
Read More

Wednesday, 11 November 2015

Unknown

কি বোর্ডের কিছুর মজার শর্টকাট কমান্ড!!!

  Unknown      Wednesday, 11 November 2015     অন্যন্য , প্রযুক্তি কথন , লেখাপড়া , সফটওয়ার      No comments   

কি বোর্ডের কিছুর মজার শর্টকাট কমান্ড!!! 

Alt+0131= ƒ (টাকা)

Alt+0165= ¥ (ইয়েন)
Alt+0177= ± (যোগবিয়োগ)
Alt+0215= × (গুণ)
Alt+Ctrl+T= ™ (ট্রেডমার্ক)അ
Alt+ Ctrl+R= ® (রেজিষ্টার্ড)
Alt+0163= £ (লীরা)
Alt+0128= € (পাউন্ড)
Alt+0247= ÷ (ভাগ)
Alt+248/0186= º (ফারেনহাইট)
Ctrl + A = সিলেক্ট অল।
Ctrl + B = টেক্সট বোল্ড।
Ctrl + C = কোন কিছু কপি করা।
Ctrl + D = ফন্ট পরিবর্তনের ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা।
Ctrl + E = সেন্টার এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + F = কোন শব্দ খোঁজা বা প্রতিস্থাপন করা।
Ctrl + G = গো টু কমান্ড।
Ctrl + H = রিপ্লেস কমান্ড।
Ctrl + I = টেক্সট ইটালিক।
Ctrl + J = টেক্সট জাস্টিফাইড এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + K = হাইপারলিংক তৈরী করা।
Ctrl + L = টেক্সট লেফট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + M = ইনভেন্ট দেয়ার জন্য।
Ctrl + N = নতুন কোন ডকুমেন্ট খোলার জন্য।
Ctrl + O = পূর্বে তৈরী করা কোন ফাইল খোলার জন্য।
Ctrl + P = ডকুমেন্ট প্রিন্ট।
Ctrl + Q = প্যারাগ্রাফের মাঝে স্পেসিং করার জন্য।
Ctrl + R = টেক্সটকে রাইট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + S = ফাইল সেভ।
Ctrl + T = ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য।
Ctrl + U = টেক্সট আন্ডারলাইন।
Ctrl + V = টেক্সট পেষ্ট করার জন্য।
Ctrl + W = ফাইল বন্ধ করার জন্য।
Ctrl + X = ডকুমেন্ট থেকে কিছু বাদ করার জন্য।
Ctrl + Y = রিপিট করার জন্য।
Ctrl + Z = আন্ডু বা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা
(বিশেষ করে নতুনদের অনেক উপকারে আসবে এই শটকাট গুলো)
Read More

Monday, 9 November 2015

Unknown

সহজেই ফটো ভেরিফিকেশন ঠিক করুন (ভিডিও টিউটোরিয়াল)

  Unknown      Monday, 9 November 2015     অন্যন্য , প্রযুক্তি কথন , লেখাপড়া , সফটওয়ার      No comments   
বর্তমানে আমরা সবাই ফেসবুক ফটো ভেরিফিকেশন লকের সাথে পরিচিত । হয়ত অনেকেই এই লেকর কারনে আপনার প্রিয় আইডিটা হারিয়েছেন কিন্তু আর নয় । এখন আমার ফটো ভেরিফিকেশন লক কোলা শিখব খাব সহজেই তো চলুন ভিডিও টি‍উটোরিয়ালটা দেখা যাক
  Fix Photo Verification on Facebook (সহজেই ফটোভেরিফিকেশন ঠিক করুন)



যেকোন সমস্যায় আমাকে পাবেন
 ফেসবুক আইডি:Shahoreyar Mostofa
 ফেসবুক পেজ My Page
 ওয়েবসাইট টিউনটা প্রথমে এখানে প্রকাশিত হয়েছে
Read More

Sunday, 1 November 2015

Unknown

পড়ার অভ্যাস করানোর টিপস

  Unknown      Sunday, 1 November 2015     লেখাপড়া      No comments   

নার্সারি লেভেলের ছড়াগুলো শিশুদের সঙ্গে পড়–ন ও পড়ান
শিশুকে স্কুলে ভর্তির আগে তাকে নার্সারি লেভেলের ছড়াগুলো শিখিয়ে দিন। তাদের প্রয়োজনে ছড়াগুলো অভিনয় করে পড়ান, সঙ্গে সঙ্গে তাদেরও অভিনয় করে আবৃত্তি করতে বলুন। বইয়ে ছাপা কবিতার শব্দগুলোতে হাত দিয়ে দেখিয়ে দেখিয়ে পড়তে বলুন। 
ধীরে ধীরে তাদের কবিতাটি মুখস্থ করে দিন। যখন সে নার্সারিতে ভর্তি হবে, তখন সেই হয়তো এগিয়ে থাকবে সবার চেয়ে বেশি, আর পড়ালেখায় তার আগ্রহও বেড়ে যাবে বহুগুণ।
শিশুদের জন্য পড়ার পরিবেশ তৈরি করে দিন
যদি সম্ভব হয় তাহলে শিশুর জন্য আলাদা একটি পড়ার রুমের ব্যবস্থা করে দিন। তা সম্ভব না হলে শিশু যে রুমে ঘুমায়, সেই রুমের কোনায় একটি রিডিং টেবিল দিয়ে দিন। রিডিং টেবিলে তাক সিস্টেম থাকলে ভালো হয়। টেবিলের গায়ে শিশুর প্রিয় কার্টুন চরিত্রের স্টিকার লাগিয়ে দিন। 
অনেক সময় দেখা যায়, মনের মতো পরিবেশের অভাবেও শিশু পড়তে চায় না। এ রুমে তার খেলনাগুলোও রাখতে পারেন। আর সবচেয়ে ভালো তারই সুন্দর সুন্দর সেরা সিঙ্গেল ছবিগুলো বড় করে প্রিন্ট করে ওই রুমের দেয়ালে লাগিয়ে দিন।
ভালো পড়–য়া কারণে-অকারণে শিশুকে উৎসাহ দিন
শিশুর সার্বিক বিকাশে উৎসাহ দেয়ার বিকল্প কিছু নেই। শিশুকে জানান, সে খুব ভালো পড়তে পারে এবং তার পড়ার আগ্রহ অন্যদের চেয়ে বেশি। তুমি যত বেশি পড়বে, অন্যদের চেয়ে তত বেশি জানবে ও তত বেশি এগিয়ে যাবে। তাকে বলুন, তুমি খুব স্মার্ট। আর স্মার্টদের অনেক কিছু জানতে হয়, তাই তাদের অনেক কিছু 
পড়তে হয়।
শিশুকে তার শিক্ষক ও স্কুল সম্পর্কে পজিটিভ কথা বলুন
অনেক শিশুরই স্কুলভীতি থাকে। তারা অনেক সময় ধরে নেয়, স্কুল মানেই কড়া কড়া টিচারের বকুনি আর দুষ্টু ক্লাসমেটদের দুষ্টুমির শিকার হওয়া। 
এতে করে তাদের মধ্যে শুরুতেই স্কুলের প্রতি অনীহা দেখা দিতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে পড়ালেখার ওপর। তাই শিশুদের স্কুলে দেয়ার আগে স্কুল ও টিচার সম্পর্কে ভালো কথা বলুন। 
তাদের জানান, স্কুলে তুমি যেমন ভালো ভালো খেলার সাথী পাবে, তেমনি পাবে তোমার যত্ন নেয়ার জন্য ভালো ভালো টিচার।
Read More

Saturday, 31 October 2015

Unknown

লেখাপড়া : লেখাপড়া ধ্বংশ করল আসলে কে?

  Unknown      Saturday, 31 October 2015     লেখাপড়া      No comments   

1. Firoz Ahmed: “শুধু লোভ! বিজ্ঞানীদের এই কারণেই সমাজবিজ্ঞান সম্পর্কেও কিছু ধারণা থাকা দরকার। লোভেরও ব্যকরণ আছে, নিয়ম-কানুনের উর্ধে সে নয়।”
2. Zafar Iqbal: “কারা প্রশ্নফাঁস করছে তাদের কখনো ধর‍া যায়নি, কিন্তু কারা গাইড বই থেকে প্রশ্ন নিয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন করেন তাদের ধরতে তো কোনো সমস্যা নেই!”
জাফর ইকবালের লেখার জবাব দিয়েছে ফিরোজ আহমেদ। ২টি লেখা একসাথে পরিবেশিত হচ্ছে আলাল ও দুলাল-এর সৌজন্যে
লোভেরও ব্যকরণ আছে– ফিরোজ আহমেদ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন
‘দেশের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার সর্বনাশ করলো কে’ শিরোনামে মুহম্মদ জাফর ইকবাল প্রধানত দায়ী করলেন গাইডবই ব্যবসায়ীদের। তাদের লোভের বলি হচ্ছে কোমলমতি শিশুরা, ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা, এমনকি নোট বই বন্ধ করার জন্য যে সৃজনশীল পদ্ধতি আবিষ্কার করা হলো, সেটাকেও মুক্ত করা গেলো না এই থাবা থেকে, মোটামুটি এই হলো তার সিদ্ধান্তসমূহ।
শুধু লোভ! বিজ্ঞানীদের এই কারণেই সমাজবিজ্ঞান সম্পর্কেও কিছু ধারণা থাকা দরকার। লোভেরও ব্যকরণ আছে, নিয়ম-কানুনের উর্ধে সে নয়। সমাজধ্বংসী লোভের উৎপত্তি খোঁজা সম্ভব, তার নিরাময়ও সর্বাংশে না হলেও গ্রহণযোগ্যমাত্রায় নামিয়ে আনাও কঠিন না। নোটবই-গাইড বইয়ের চাহিদা কেন তৈরি হলো, এত এত আইন তৈরি করেও কেন এগুলো বন্ধ করা গেলো না, সে বিষয়ে লেখক কি কিছু ভেবেছেন? কিছু প্রাথমিক ভাবনার রসদ দেয়া যাক:
১. কোন একটা পণ্য কেন বাজারে চালু থাকে? চাহিদা আছে বলেই। বিদ্যালয়ে যথাযথ শিক্ষা দেয়া হলে গাইড বই ধরার কি দরকার পড়তো শিক্ষার্থীদের?
২. তো শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে কেন যথাযথ শিক্ষা পান না? সম্ভবত তিনটে প্রধান কারণ আছে। এক, শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে পড়ান না, বাড়িতে আসতে বলেন। দুই, শিক্ষকরা যোগ্য নন। তিন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ভয়াবহ রকমের বেশি।
শিক্ষকরা বাড়িতে পড়তে আসতে বলেন কেন? আইন করে কি তা বন্ধ করা যাবে? কখনো যাবে না, যতক্ষণ না আইন মেনে মোটামুটি সম্মানজনক জীবিকা তারা তারা অর্জন করতে পারছেন। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার সবচে বড় সর্বনাশ যদি কেউ করে থাকে, সেটা সকল শিক্ষামন্ত্রী কিংবা অর্থমন্ত্রীরা, যারা শিক্ষকদের জন্য এমন বেতন নির্ধারণ করে আসছেন যুগ যুগ ধরে যে কোন যোগ্য ছেলে-মেয়ে শিক্ষক হবার কথা ভাবতে পারে না। যদি কেউ তা হনও, আর্থিক চাপে তাদের অধিকাংশের নৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে যায়। তারা আত্মসমর্পণ করেন। যতদিন না এমন বেতন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের জন্যও নির্ধারিত না হবে যে সবচে যোগ্য ছেলেমেয়েরা শিক্ষকতায় আসছেন, ততক্ষণ শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতির কথা কল্পনাই করা যাবে না।
আর্থিক দুরাবস্থার স্বাভাবিক ফলাফল হলো খুব সম্ভবত দেশের অধিকাংশ শিক্ষক শিক্ষা প্রদানের উপযুক্তই নন। মফস্বলে যাওয়া আসা আছে, এমনকি শহরের বিদ্যালয়গুলোতেও, শিক্ষকদের মানের ভয়াবহতা না খেয়াল করে পারবেন না। এমনকি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এখন অনুদান নিয়ে যেমন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়, তেমনি অনুদান নিয়ে বাড়ির বসে থাকা সদস্যদের, পুত্র, মেয়ের জামাই, পুত্রবধু ইত্যাদিকে শিক্ষকতা পেশা জুটিয়ে দেয়ার ভয়ানক এক প্রবণতা শুরু হয়েছে মফস্বলে। এই শিক্ষকরা কি করে ব্যকরণ বা গণিত, রসায়ন বা পদার্থবিদ্যা বোঝাবেন? কি করে ভুগোল বা ইতিহাসে আগ্রহী করবেন শিক্ষার্থীদের?
শিক্ষার্থী শিক্ষক অনুপাতটাও পড়াবার অনুকূল নয় বহুক্ষেত্রে। অবশ্য জনপ্রিয় শিক্ষকদের ব্যক্তিগত পাঠদানেও ব্যবসাতেও দেখা যাবে চল্লিশ পঞ্চাশ জন উপস্থিত!
৩. তাহলে যে ব্যবস্থায় আপনি প্রায় সকল শিক্ষার্থীকে ধরেবেধে এমন দশার মাঝে ফেললেন যেখানে মুখস্ত করাই একমাত্র উপায়, সেখানে নোটবই গাইড বইয়ের রমরমা খুবই সঙ্গত এবং স্বাভাবিক। এখানে নানান নিয়মকানুন জারি করা কিংবা এই ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কামান দাগানো সামান্যই উপকারে আসবে।
৪. আরও ছোটখাট কিছু বিষয়। অধিকাংশ বিদ্যালয়ে কোন খাবার দেয়া হয় না শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীদের বিষয় বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি খিদে পেটে কোন পড়া তার বুদ্ধিতে কুলোয় না, অতএব মুখস্তই অবলম্বন হয়। ঢোকে না। হয়তো এই কারণেই সভ্য দেশগুলোতে বাচ্চাদের খাবারের বন্দোবস্ত করা হয়।
৫. খুব সম্ভবত আমাদের বিদ্যালয়ে ছেলেমেয়েদের দৈনিক কাটানো সময়ের পরিমানও বাড়ানো দরকার। তার জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য বিরতি এবং খেলাধূলার ব্যবস্থা করা দরকার। একই বিদ্যালয়ে সকাল বিকাল দুই দফায় দুই দল শিক্ষার্থীকে পড়ানো সম্পদের সীমাবদ্ধতার অজুহাতে করে আসা হচ্ছে। সম্পদ আমাদের কম নেই, দরকার সেগুলোকে লুটের মাল বানানো বন্ধ করা।
৬. মধ্যবিত্ত -উচ্চবিত্ত তার সন্তানদের বাড়িতে পড়াবার জন্য মাসে পাঁচ থেকে বিশ হাজার পর্যন্ত অনায়াসে খরচ করছেন। দরিদ্র মানুষও এক দুই হাজার টাকা নাভিঃশ্বাস তুলে খরচ করতে বাধ্য হচ্ছেন। কেন আমরা শিক্ষার উন্নয়নের জন্য স্বচ্ছল মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চআয়ের মানুষের ওপর শিক্ষাকর বসিয়ে সকলের জন্য একই পদ্ধতির এমন শিক্ষার ব্যবস্থা করছি না যেটা সারা দেশে একই মানের যোগ্য শিক্ষকদের তুলে দেবে শিক্ষার্থীদের সামনে?
পাঠশালাটাকেই এমন বানিয়ে ফেলার প্রস্তাব করুন না, চারদিকের বিপুল চুরিদারির টাকাগুলো শিক্ষায় বরাদ্দ করতে বাধ্য করে এমন আওয়াজ তুলুন না যেখানে নোটবই গাইড বইয়ের চাহিদাটাই উধাও হয়ে যাবে! এমন শিক্ষানীতি নিন যেন বিদ্যালয়গুলোই এমন হয় যেখানে ছেলেটা-মেয়েটা খেলাধূলা করবে, একটা নাশতা আর একটা ভারি খাবার খাবে, আর পড়াশোনার আগাপাশতলা সেখানেই শেষ করে বাড়িতে এসে বাবা-মার সাথে জেগে থাকার বাকি সময়টুকু হেসেখেলে কাটাবে।
****
এ দেশের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার সর্বনাশ করল কে?
– ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, শাহজালাল প্রকৌশল ও বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়
[EXCERPT] “… আমি সবার অগোচরে খুব ধীরে ধীরে লেখাপড়ার উপর যে ‘স্লো পয়জনিং’ হচ্ছে তার কথা বলতে বসেছি।…
সেই যখন থেকে ছেলেমেয়েদের পড়ালেখার দায়িত্ব নিয়ে শিক্ষক হয়েছি তখন থেকে আমি জানি একজন ছেলে বা মেয়ে কী শিখছে তার থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তার শেখার আগ্রহ আছে কি না? শেখার ক্ষমতা আছে কিনা সেই বিষয়টি। এই দেশের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া নিয়ে আমার দুঃখের সীমা ছিল না। লেখাপড়ার নামে তাদের কিছু জিনিস মুখস্থ করানো হতো, পরীক্ষার হলে গিয়ে সেটা তাদের উগরে দিতে হতো। পড়াশোনার পুরো বিষয়টি ছিল খুব কষ্টের, কারণ মানুষের মস্তিষ্ক তৈরি হয়েছে বোঝার জন্যে, জানার জন্যে কিংবা বিশ্লেষণ করার জন্যে। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন মনে রাখার বিষয়টা মানুষের থেকে ভালো পারে শিম্পাঞ্জিরা!
তাই প্রথম যখন সৃজনশীল পদ্ধতির পরীক্ষার বিষয়টি সামনে এসেছিল আম‍ার আনন্দের সীমা ছিল না। (তখন অবশ্য সেটাকে বলা হতো কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন পদ্ধতি, কিন্তু কাঠামোবদ্ধ নামটাকে কেমন যেন কটমটে মনে হয়েছিল বলে এর নামটাকে পাল্টে সৃজনশীল করে দেয়া হয়েছিল) যাইহোক সৃজনশীল প্রশ্নের মূল বিষয়টা ছিল খুবই সহজ, এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্যে আর কখনো ছাত্র-ছাত্রীদের কিছু মুখস্ত করতে হবে না। তারা যদি পুরো বইটা মন দিয়ে পড়ে তাহলেই হবে, প্রশ্নগুলোর উত্তর তারা ভেবে ভেবে দিতে পারবে। নতুন কিছু শুরু করা খুবই কঠিন, এখানেও সেটা দেখা গেল। সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি শুরু করা মাত্রই অভিভাবকেরা এর পিছনে লেগে গেলেন। স্বার্থপর অভিভাবকদের একটি মাত্র কথা, ‘স্বীকার করি এটা খুবই ভালো পদ্ধতি, কিন্তু আমার ছেলে কিংবা মেয়ে আগের পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে যাক তারপর এই পদ্ধতি প্রবর্তন করা হোক!’
তারা সৃজনশীল পদ্ধতির বিরুদ্ধে রীতিমতো আন্দোলন শুরু করেছিলেন! আম‍ার মনে আছে আমরা যারা ছাত্র-ছাত্রীদের মুখস্থ করার যন্ত্রণা থেকে উদ্ধার করার এই সুযোগটা পেয়ে লুফে নিয়েছিলাম তারা সবাই মিলে সেটাকে রক্ষা করার জন্যে উঠে পড়ে লেগে গিয়েছিলাম। রীতিমতো যুদ্ধ করে শেষ পর্যন্ত সারা পৃথিবীর ছেলেমেয়েরা যে পদ্ধতিতে (Bloom’s Taxonomy) লেখাপড়া করে, আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরাও সেই পদ্ধতিতে লেখাপড়া করার এবং পরীক্ষা দেওয়ার একটা সুযোগ পেল। অন্যদের কথা জানি না আমি খুব আগ্রহ নিয়ে আপেক্ষা করতে থাকলাম কখন এই ছেলেমেয়েগুলোকে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার নিজের ছাত্রছাত্রী হিসেবে পাব। কারণ এই ছাত্রগুলোর মস্তিষ্কগুলো থাকবে সতেজ, তীক্ষ্ণ এবং সৃজনশীল, মুখস্থ করিয়ে করিয়ে সেগুলোকে ভোঁতা করিয়ে দেওয়া হবে না।
কিছু দিনের ভেতরে আমি প্রথম দুঃসংবাদটি পেলাম- সেটি হচ্ছে সৃজনশীল প্রশ্নের গাইড বই বের হয়ে গেছে। খবরটি ছিল আমর কাছে অবিশ্বাস্য, কারণ সৃজনশীল প্রশ্নটাই করা হয়েছে যেন ছাত্র-ছাত্রীদের আর প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করতে না হয় সেজন্যে। তার থেকেও আরো ভায়াবহ ব্যাপার ঘটতে থাকল, শুধু যে বাজারে গাইড বই বের হতে থাকল তা নয়, আমাদের দেশের বড় বড় পত্রিকাগুলোও ‘শিক্ষা পাতা’ বা এ ধরনের নাম দিয়ে তাদের পত্রিকায় গাইড বই ছাপাতে শুরু করল! এগুলো হচ্ছে সেই পত্রিকা যারা এই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করে মুখে ফেনা তুলে ফেলে।
দেশের দুর্নীতির বিরুদ্ধে রীতিমতো সংগ্রাম করে, পত্রিকায় মূল কাজ সংবাদ ছাপানোর পাশাপাশি তারা জ্ঞান-বিজ্ঞ‍ান-আর্ট-কালচার নিয়ে ঠেলাঠেলি করে দেশেকে এগিয়ে নেওয়ার জন্যে জান কোরবান করে দেয়! আমার খুব ইচ্ছে এসব পত্রিকার ‘মহান’ সম্পাদকদের সঙ্গে কোনোদিন মুখোমুখি বসে জিজ্ঞেস করি তারা কেমন করে এই দেশের ছেলেমেয়েদের নিয়ে এতো বড় প্রতারণা করেন? (আমার মনে আছে আমি কোনো একটি লেখায় এই ধরনের একট‍া পত্রিকার গাইডবইয়ের উদাহারণটি তুলে জিজ্ঞেস করেছিলাম, যদি গাইড বই ছাপানো বেআইনী হয় তাহলে পত্রিকায় গাইড বই ছাপানো কেন বেআইনী হবে না? আমরা কেন এই পত্রিকাগুলোর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারব না?)
যাই হোক, বাজারে এবং দৈনিক পত্রিকায় গাইড বই বের হওয়ার পর থেকে অনেক শিক্ষকই স্কুলের পরীক্ষায় এই গাইড বই থেকে প্রশ্ন তুলে দিতে শুরু করলেন। সেই সব শিক্ষকদের ছাত্র-ছাত্রীদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল, এক সময় শুধু পাঠ্যবইয়ের প্রশ্নগুলোর উত্তর ‘মুখস্থ’ করলেই চলতো, এখন তাদের তার সঙ্গে সঙ্গে পুরো গাইড বইয়ের প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করা শুরু করতে হলো। আমি পড়লাম মহাবিপদে, এই দেশের ছেলে-মেয়েদের অনেকেই জানে আমি এই সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি যেন শুরু হতে পারে তার জন্যে অনেক চেঁচামেচি করেছি, তারা সরাসরি আমাকে অভিযোগ করতে শ‍ুরু করল। আমি তখন তাদের বুঝিয়ে বলতাম যদি দুই নম্বরী শিক্ষক হয় তাহলে সৃজনশীল গাইড বই পড়ে হয়তো স্কুলের পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়‍া সম্ভব হতে পারে।
কিন্তু পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি কিংবা এইচএসসির প্রশ্নগুলো কখনোই কোনো গাইড বই থেকে আসবে না। পরীক্ষার আগে এই প্রশ্নগুলো প্রথমবার তৈরি করা হবে, কাজেই যারা গাইড বই মুখস্থ করবে সত্যিকারের পরীক্ষায় তাদের কোনোই লাভ হবে না। বরং উল্টো ব্যাপার ঘটবে, মুখস্থ করে করে পরীক্ষা দেওয়ার কারণে তারা আসল পরীক্ষাগুলোতে নিজে নিজে ভাবনা চিন্তা করে প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে যাবে।
এতো ছিল আমি ছাত্র-ছাত্রীদের এভাবে বুঝিয়ে এসেছি এবং তারাও আমার যুক্তি মেনে নিয়েছে। এই বছর হঠাৎ করে আমি প্রথমবার সত্যিকারের বিপদে পড়েছি। আমার কাছে একজন এসএসসির বাংলা প্রশ্নপত্র পাঠিয়েছে, সেই প্রশ্নে গাইড বই থেকে হুবহু প্রশ্ন তুলে দে‍য়া আছে। প্রমাণ হিসেবে সে গাইড বইয়ের পৃষ্ঠাগুলোও ফটোকপি করে দিয়েছে। ২০১৪ সালে যখন এইচএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁস হতে শুরু করল তখন কিছুতেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্বীকার করতে রাজি হয়নি যে ব্যাপারটি আসালেই ঘটেছে। আমি এবারে এসএসসির প্রশ্ন ও গাইড বইয়ের প্রশ্ন পাশাপাশি দিয়ে দিচ্ছি, পাঠকেরা নিজের চোখেই দেখতে পাবেন। শুধু এই দু’টি নয়, আরো অনেকগুলো প্রশ্ন রয়েছে, লেখার শেষে আমি লিংক দিয়ে দিচ্ছি, যার ইচ্ছে ডাউনলোড করে সেগুলো নিজের চোখে দেখে নিতে পারবেন।
এর চেয়ে ভয়ংকর কোনো ব্যাপার কী কেউ কল্পনা করতে পারবে? যারা গাইড বই ছাপায় আনন্দে তাদের বগল বাজানোর শব্দ কী সবাই শুনতে পাচ্ছেন? সেই শব্দ কী শিক্ষাবোর্ড বা শিক্ষা মন্ত্রণালয় পর্যন্ত পৌঁছাবে? এই গাইড বই বিক্রেতারা কী এখন খবরের কাগজ, রেডিও, টেলিভিশনে বড় বড় করে বিজ্ঞাপন দিতে পারবে না? সেখানে তারা ঘোষণা করবে, ‘আমাদের গাইড বই বাজারের সেরা, এখান থেকে এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন বেছে নেয়া হয়!’
যত স্বপ্ন ও আশা নিয়ে সৃজনশীল পদ্ধতি শুরু করা হয়েছিল আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতার (নাকি দুর্নীতি?) কারণে এখন কী পুরো বিষয়টা অর্থহীন হয়ে দাঁড়াচ্ছে না? শিক্ষা বোর্ডের কাছে নিশ্চয়ই রেকর্ড রয়েছে । তারা খুব ভালোভাবে জানেন কারা এই প্রশ্ন করছে, আমরা কী আশা করতে পারি না, যেসব প্রশ্নকর্তা এই দেশের লক্ষ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রীর লেখাপড়ার পুরোপুরি সর্বনাশ করে দিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে একটা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে ভবিষ্যতে যেন আর কখনোই এরকম ঘটনা না ঘটে তার একটি গ্যারান্টি দেবেন? কারা প্রশ্নফাঁস করছে তাদের কখনো ধর‍া যায়নি, কিন্তু কারা গাইড বই থেকে প্রশ্ন নিয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন করেন তাদের ধরতে তো কোনো সমস্যা নেই! মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী যেভাবে জোড় হাত করে খালেদা জিয়ার কাছে অনুরোধ করেছিলেন এসএসসি পরীক্ষার সময় হরতাল না দিতে, আমি ঠিক একইভাবে জোড় হাত করে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব এসএসসি পরীক্ষায় গাইড বই থেকে প্রশ্ন তুলে না দিতে।
গাইড বই থেকে তুলে দেয়া প্রশ্ন দিয়ে তৈরি করা এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নের পাশাপাশি ভিন্ন আরো একটি প্রশ্নপত্র আমার হাতে এসেছে। এই প্রশ্নটি জাতীয় কারিকুলামে ইংরেজি মাধ্যমের পদার্থ বিভাগের প্রশ্নপত্র। প্রশ্নপত্রটির খানিকটা অংশ আমি এই লেখার সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। জানি না সেটা পত্রিকায় দেখানো সম্ভব হবে কী না। লেখার শেষে আমি এটারও লিংক দিয়ে দিচ্ছি যে কেউ সেটা ডাউনলোড করে পুরোটা দেখে নিতে পারবেন।
এসএসসি পরীক্ষায় গাইড বই থেকে নেয়া প্রশ্ন দেখে আমি ক্ষুব্ধ হয়েছি। কিন্তু ইংরেজিতে লেখা পদার্থ বিজ্ঞানের এই প্রশ্নটি দেখে লজ্জায় আমার মাথা কাটা গিয়েছে। একটা এতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় ইংরেজি ভাষার এই নমুনা দেখেও আমার বিশ্বাস হতে চায় না, কেমন করে শিক্ষাবোর্ড ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে এই প্রশ্ন তুলে দিল? প্রত্যেকটি প্রশ্ন ভুল ইংরেজিতে লেখা, ছোটখাটো ভুল নয়, উৎকট ভুল।
যেমন, Who is invented air pump? How many power of an electric fan? Which mirror use of solar oven? ইত্যাদি ইত্যাদি।
প্রশ্নটি দেখেই বোঝা যায় এটি আসলে চরম হেলা ফেলার একট‍া উদাহারণ। ইংরেজি কারিকুলামের প্রশ্ন করার জন্যে শুদ্ধ ইংরেজি লিখতে পারে এরকম একজন শিক্ষক এই দেশে নেই, তা হতে পারে না। এর অর্থ যারা এর দায়িত্বে আছেন তাদের লজ্জা শরম বলে কিছু নেই- আমরা যারা এটা দেখি তারা লজ্জায় মুখ দেখাতে পারি না, যারা এই কাজটি করেন তারা একটুও লজ্জা পান না, বরং বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ান।…”

Read More
Older Posts → Home

Blog Archive

  • ▼  2016 (5)
    • ▼  August (5)
      • যানজট নিয়ন্ত্রণে থাকবে ১ হাজার রোভার স্কাউট’ ...
      • সুচির উদ্যোগে বিদ্রোহীদের সাথে আলোচনায় মায়ানমার
      • মিটিংয়ে ঘুমানোই কর্মকর্তাকে খুন!
      • ৪ সেপ্টেম্বর ট্যানারি শ্রমিকদের কর্মবিরতি
      • শফিক রেহমানকে তিন মাসের জামিন
  • ►  2015 (154)
    • ►  December (16)
    • ►  November (127)
    • ►  October (11)
  • ►  2014 (1)
    • ►  November (1)

Popular Posts

  • যারা ফেসবুক পেজ ব্যবহার করেন তাদের জন্য পেজ ম্যানেজার অ্যাপস
    আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের কে একটি নতুন অ্যাপস এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। ফেসবুকের কোনো পেজের অ্যাডমিন মানেই সব সময় সেই পে...
  • কীভাবে হবেন ফেসবুক সেলিব্রেটি? টিপস এবং দুই নম্বরী উপায় সমগ্র
    ফেসবুক সেলিব্রেটি এখন সময়ের আলোচিত বিষয়। সেদিন একটা স্ট্যাটাসে জিজ্ঞেস করেছিলাম আমরা বাঙালী জাতি তো খালি ভাগই হই। কে জানি বলেছিল বাঙালী ...
  • Radio Today
    Radio Today FM 89.6 the first and no. 1 private radio, first went on air in May 2006 in Dhaka. From 15th Oct 2006 it expanded coverage to ...
  • গোপাল ভাড়ের মজার গল্প
    গ্রাম বাংলার গল্পে, কিচ্ছা কাহিনীতে গোপাল ভাঁড়ের গল্প প্রায়শই শোনা যায়। আমি নিজেও গোপাল ভাঁড়ের গল্প শুনেই বড় হয়েছি। পাঠকদের জন্য গোপাল...
  • বাংলাই ব্লগার ব্লগ শিখার জন্য চমৎকার বই ডাউনলোড করে নিন
    আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা , আশাকরি সবাই ভাল সুস্থ আছেন। যাই হোক আমি বেশি কিছু দিন থেকেই অনেক পরিশ্রম করে একটি ইবুক লিখাম এবং সেটাই আজক...
  • গুগলের ১০টি অজানা সার্ভিস
    আপনি একজন কম্পিউটার ব্যবহারকারী বা স্মার্টফোন ব্যবহারকারী হলে নিশ্চয়ই আপনি নেট ব্যবহার করে থাকেন। আর ইন্টারনেট ব্যবহার করেছেন কিন্তু গুগ...
  • রাজশাহীতে ‘গ্যাস সিলিন্ডার’ বিস্ফোরণে আহত ৪
    রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে আয়োজনের সময় বেলুনে গ্যাস ভরতে গিয়ে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে ৪ জন আহত হয়েছে। শনিবার সকাল ৮...
  • (বাংলা গল্প) বকুল
    বকুল আমার লেখা প্রথম গল্প । আশা করি গল্পটা সবার ভাল লাগবে ।  ধন্যবাদ । বকুল     Shahoreyar Mostofa শ্রেয়া রোজ স্কুলে যাওয়ার ...
  • শফিক রেহমানকে তিন মাসের জামিন
    শফিক রেহমানকে তিন মাসের জামিন অনলাইন ডেস্ক   লিড নিউজ আপডেট: ০১:১২:৪০ PM, বুধবার, আগস্ট ৩১, ২০১৬ প্রধানমন্ত্রী শেখ হ...
  • WIFI এর পাসওয়ার্ড জেনে নিন একদম সহজে
    একথা আপনাকে মানতেই হবে যে এন্ড্রয়েড দিয়ে WIFI এর পাসওয়ার্ড আসলেই হ্যাক করা যায়না!! এর জন্য অনেক এপ,টিঊটোরিয়াল থাকলেও একটাও ...

Labels

  • Online Radio
  • অন্যন্য
  • অফার
  • ই-বুক
  • ইসলাম শিক্ষা
  • উইন্ডোজ
  • এন্ডয়েড
  • ওয়ায়ার্ডপ্রেস
  • কম্পিউটার
  • খেলাধুলা
  • গুগল
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • জোকস
  • টিপস-ট্রিকস
  • ডাউনলোড
  • প্রযুক্তি কথন
  • প্রোগ্রামিং
  • ফেসবুক
  • ফ্রিল্যান্সার
  • বাংলা কবিতা
  • বাংলা গল্প
  • বিনেদন
  • ব্লগার
  • ভিন্ন স্বাদের খবর
  • লেখাপড়া
  • সফটওয়ার
  • সাস্থ কথা

Facebook Fan

Powered by: Blogger
About Us | Contact Us | Privacy | Sitemap | Terms Condition | Others
Copyright © Shahoreyar Mostofa All Rights Reserved |